দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি নির্বাচিত উপজেলায় হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববার সকাল ৯টার দিক ঢাকার নবাবগঞ্জে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সি শিশুদের দেওয়া হবে এই টিকা।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, 'যারা ইতোমধ্যে হাম বা জ্বরে আক্রান্ত রয়েছে, তাদের আপাতত এই টিকা দেওয়া হবে না। পরে যেসব জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে বা বেড়েছে, সেসব এলাকায় পর্যায়ক্রমে এই টিকাদান কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।'
প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। এই টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে হামের বর্তমান পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি সব অভিভাবককে শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করতে এবং কর্মসূচি সফল করতে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।'
যে ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় হামের টিকা দেওয়া হবে-
বরগুনা (পৌরসভা ও সদর), পাবনা (পৌরসভা ও সদর, ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া, বেড়া), চাঁদপুর (পৌরসভা ও সদর, হাইমচর), কক্সবাজার (মহেশখালী, রামু), গাজীপুর (সদর), চাঁপাইনবাবগঞ্জ (পৌরসভা ও সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট), নেত্রকোণা (আটপাড়া), ময়মনসিংহ (সদর, ত্রিশাল, তারাকান্দা, শ্রীনগর), রাজশাহী (গোদাগাড়ী), বরিশাল (মেহেন্দীগঞ্জ, বাকেরগঞ্জ), নওগাঁ (পোরশা), যশোর (পৌরসভা ও সদর), নাটোর (সদর), মুন্সীগঞ্জ (পৌরসভা ও সদর, লৌহজং), মাদারীপুর (পৌরসভা ও সদর), ঢাকা (নবাবগঞ্জ), ঝালকাঠি (নলছিটি), শরীয়তপুর (জাজিরা)।
দেশের মোট ৩০টি হটস্পট উপজেলা বা পৌরসভা চিহ্নিত করা হয়েছে। সর্বোচ্চ আক্রান্ত এলাকার মধ্যে বরগুনা সদর ও পৌরসভা রয়েছে। নিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মধ্যে রয়েছে মাদারীপুর, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঝালকাঠি, শরীয়তপুরসহ বেশ কয়েকটি জেলা।
এমএ