ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
নওগাঁয় অভিযানে গিয়ে তোপের মুখে ম্যাজিস্ট্রেট, পরে জরিমানা
✎ অবজারভার প্রতিনিধি
⏲ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৭ পিএম
X

নওগাঁ সদর উপজেলায় অবৈধভাবে পশুখাদ্য উৎপাদন মিলে অভিযান পরিচালনার সময় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তোপের মুখে পড়েন। তবে এ সময় মিল মালিক ওমর ফারুক (তপন) পশুখাদ্য উৎপাদনের স্বপক্ষে কোনো ধরনের লাইসেন্স বা কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) বিকেল ৫টায় উপজেলার রজাকপুর (মল্লিকা ইনের পাশে) এলাকায় সাদ গুড়া ও চালনি মিলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নওশাদ হাসান।

সদর উপজেলার রজাকপুর (মল্লিকা ইনের পাশে) এলাকায় অভিযানের সময় মিলে গিয়ে দেখা যায়, দুইটি গুদামে ধানের গুড়া (তুষ) স্তুপ করে রাখা ছিল। সেখানে শ্রমিকরা কাজ করছিলেন। এ তুষ থেকে পশুখাদ্য তৈরির জন্য বস্তা প্যাকেটজাত করা হচ্ছিল। আশপাশের কাউকে এই কারখানায় প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না। স্থানীয়রা জানে না, এই মিলে আসলে কি করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা শেষে জরিমানার ঠিক আগ মুহূর্তে মতিউর মতিন নিজেকে গুড়া চালনি-মালিক সমিতির উপদেষ্টা পরিচয় দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জরিমানা না করার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই ব্যবসা চালিয়ে আসছে। এ বিষয়ে এক প্রকার তর্ক-বিতর্কও হয়। প্রাণিসম্পদ থেকে লাইসেন্স নিতে হবে কেন, তা আগে জানানো হয়নি। এ সময় উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয় এবং প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিষয়টি নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্যকে জানানো হবে।

সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নওশাদ হাসান বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় রজাকপুর এলাকায় অনুমোদনবিহীন সাদ গুড়া ও চালনি মিলে পশুখাদ্য উৎপাদন করা হচ্ছিল। অভিযানের সময় এ তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়। মিল মালিক ওমর ফারুক (তপন) পশুখাদ্য উৎপাদনের জন্য কোনো ধরনের লাইসেন্স বা কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এ অপরাধে তার ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে। অন্য মিল ও মালিকরা এখান থেকে যথাযথ শিক্ষা নেবেন এবং অনুমোদন নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করবেন।”

জরিমানাকৃত মিল মালিক ওমর ফারুক (তপন) বলেন, “শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে তিনটি মিল গত প্রায় ১৫-২০ বছর ধরে ব্যবসা চালাচ্ছি। এখানে প্রায় ২০ জন নারী ও পুরুষ কাজ করেন। সরকারি দপ্তর থেকে লাইসেন্স নিতে হবে তা আমার জানা ছিল না।”

অভিযানে সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম এবং থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

কেএইচ/আরএন


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝