রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল সংগ্রহের লাইনে মোটরসাইকেলের বৈধ লাইসেন্স ও ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই করায় মুহূর্তেই দীর্ঘ লাইন ফাঁকা হয়ে যায়। পরে বৈধ গাড়ি ও ড্রাইভিং লাইসেন্সধারীদের মধ্যে তেল বিতরণ করা হয়।
বুধবার (১ এপ্রিল) উপজেলার ভবানীগঞ্জ ফিলিং স্টেশন, শিকদারী ফিলিং স্টেশন এবং মচমইল বাজার এলাকায় অবস্থিত সোহেল ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রি মনিটরিংয়ের জন্য এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি সাইফুল ইসলাম ভূঞা বৈধ কাগজপত্র না থাকায় কয়েকটি গাড়ির মালিককে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা ও জরিমানা করেন। এসময় ৭টি গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় এবং ৭,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ফলে যাদের গাড়ির বৈধ কাগজপত্র নেই, তারা লাইন ছেড়ে চলে যান।
কাঁঠালবাড়ি গ্রামের মিজানুর রহমান বলেন, ভোর থেকে শিকদারী ফিলিং স্টেশনের তেল সংগ্রহের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ গাড়ির কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে এমন খবর শুনে তিনি লাইন ছেড়ে চলে যান।
এছাড়াও গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার দানগাছি মহল্লায় অবৈধভাবে মজুদ করা ৫ শত লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। পাশাপাশি মজুদকারী আবদুস সাত্তার নামের ব্যবসায়ীকে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক জব্দকৃত তেল খোলাবাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়। মজুদকারী আবদুস সাত্তার প্রতি লিটার পেট্রোল ৩০০ টাকায় বিক্রি করতেন।
সহকারী কমিশনার ভূমি সাইফুল ইসলাম ভূঞা বলেন, সুষ্ঠুভাবে ক্রেতাদের নিকট জ্বালানি বিক্রয় নিশ্চিত করাই এই অভিযান পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য।
এএইচ/আরএন