পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শেষ সময়েও পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ স্বস্তি ও স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফিরছেন। পুরো ঈদযাত্রাজুড়ে কোথাও উল্লেখযোগ্য যানজট বা ভোগান্তি দেখা যায়নি।
সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গত ১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চ টানা ৭২ ঘণ্টায় পদ্মা সেতু দিয়ে মোট ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৮২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। একই সময়ে টোল আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকা, যা ঈদযাত্রায় একটি উল্লেখযোগ্য রেকর্ড।
১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) ২৪ ঘণ্টায় মাওয়া ও জাজিরা দুই প্রান্ত মিলিয়ে মোট ৩৯ হাজার ২৮০টি যানবাহন সেতু পারাপার করেছে। এদিন টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬৫০ টাকা। এর মধ্যে মাওয়া প্রান্ত দিয়ে ২৫ হাজার ২২৪টি যানবাহন পারাপার হয়ে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৪৮ লাখ ৩৬ হাজার ৭৫০ টাকা এবং জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১৪ হাজার ৫৬টি যানবাহন পারাপারে আদায় হয়েছে ২ কোটি ৪৮ হাজার ৯০০ টাকা।
এর আগে ১৮ মার্চ একদিনেই সর্বোচ্চ ৪১ হাজার ৮৮৫টি যানবাহন পারাপারের রেকর্ড গড়ে এবং টোল আদায় হয় ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ২৫০ টাকা। আর ১৭ মার্চ ৩৮ হাজার ৫১৭টি যানবাহন পারাপারে টোল আদায় হয়েছিল ৪ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯০০ টাকা।
পদ্মা সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদ নিলয় জানান, ঈদের শেষ সময়েও অনেকেই বাড়ি ফিরছেন। তবে সেতুতে কোথাও যানজট বা ধীরগতি নেই, যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এবারের ঈদযাত্রায় সেতুতে যানবাহনের চাপ থাকলেও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার কারণে যাত্রীদের কোনো ভোগান্তি হয়নি।
উল্লেখ্য, পদ্মা সেতুতে একদিনে সর্বোচ্চ যান চলাচলের রেকর্ড রয়েছে ২০২৫ সালের ৫ জুন। সেদিন ৫২ হাজার ৪৮৭টি যানবাহন সেতু পারাপার করে।
এইচআই/আরএন