বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেছেন, আমার আশা ছিল আমি নির্বাচনে জিতব। কিন্তু নির্বাচনকালীন সময়ের সাবেক ক্যাবিনেট সেক্রেটারি, সাতক্ষীরার বর্তমান জেলা প্রশাসক, তালা ও কলারোয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মিলে খুলনা বিভাগের ২৫টি আসন হাইজ্যাক করেছেন।
তিনি বলেন, তারা নির্বাচনে একটি বিশেষ দলের হয়ে কাজ করেছেন। নির্বাচনের পরের দিন ক্যাবিনেট সেক্রেটারিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এরপর দুই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আরও অনেককেই প্রত্যাহার করা হয়েছে। ওই ব্যক্তিকে সাতক্ষীরার মাটিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা উচিত। ডিসিকে অবিলম্বে সাতক্ষীরা ছাড়তে হবে। আমি তার প্রত্যাহার চাই। আজ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আমাকে সহ কয়েকটি আসনে হারানো হয়েছে।
তিনি এ সময় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে। তাই আগামী নির্বাচনগুলোতে—উপজেলা হোক বা ইউনিয়ন—সব নির্বাচনী যুদ্ধে আমাদের উত্তীর্ণ হতে হবে। সে লক্ষ্যে আমাদের কাজ করতে হবে।
শুক্রবার বিকেলে শহরের লেকভিউ কমিউনিটি সেন্টারে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি আয়োজিত ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলুর সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, নায়েবে আমীর শেখ নুরুল হুদা, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মনিরুজ্জামান মনির, তাছকিন আহমেদ চিশতি, বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম ফারুক ও নাসিম ফারুক খান মিঠুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনাসহ দেশ ও জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত করা হয়।
এমজেডআর/আরএন