মাইক্রোবাসে ছিলেন না জনি। ফলে তিনি বেচেঁ গেলেও তিন শিশু সন্তান নিয়ে মারা গেছেন তার স্ত্রী পুতুল। একটি সাজানো সংসার তছনছ হয়ে গেল।
দেবরের বিয়েতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন পুতুল, তার তিন সন্তান আলিফ, সামিউল ও ইরাম।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল ৪টায় মোংলা-খুলনা মহাসড়কের বেলাই ব্রীজ এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি বাস ও যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে তারা সবাই নিহত হন।
রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে পুতুলের স্বামী জনিকে পাওয়া যায়নি। পুতুলের দেবর আলামিন কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ভাবি খুবই চঞ্চল ছিলেন। একহাতে সংসারের সব কিছু ম্যানেজ করতেন। সব সময় হাসিখুশি থাকতেন। ভাবির সাথে আজ তার তিন সন্তান চলে গেল। একটি সাজানো সংসার তছনছ হয়ে গেল। কতো সুন্দর সংসার ছিল আমাদের। এখন আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম-বলেই তিনি অঝোরে কাঁদতে থাকেন।
এসএমএস/এসআর