শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নদ-নদী, খাল, পাহাড় ও ছড়া থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে রাতভর অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসন। সোমবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দিতা রানী ভৌমিক।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ০৮ এপ্রিল শেরপুরের জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ধারা ৯(৪) অনুযায়ী নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার সব বালুমহাল বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এরপরও প্রভাবশালী কয়েকটি সিন্ডিকেট রাতের আঁধারে ঝিনাইগাতী উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী, খাল, পাহাড় ও ছড়া থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত রোববার দিবাগত রাতে অভিযান পরিচালনা করেন ইউএনও মো. আল আমীন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দিতা রানী ভৌমিক।
অভিযানে ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদের ডাকবাংলোর সামনে অবৈধ ভাবে উত্তোলিত একটি বালুবোঝাই মাহিন্দ্রা (তিন চাকার যান) গাড়িসহ মো. পারভেজ মিয়া নামে একজনকে আটক করা হয়। পরে সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং তার গাড়ি ও বালু রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করে পুলিশের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, ওই দিনই উপজেলার তিনানী বাজারে দু'টি মাটিভর্তি মাহিন্দ্রা আটক করা হয়েছে ও অপর একজনকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
ইউএনও মো. আল আমীন বলেন, 'সরকারি সম্পদ রক্ষার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।'
জেএইচ/এমএ