Tuesday | 2 June 2026 | Reg No- 06
Epaper | English
   
English | Tuesday | 2 June 2026 | Epaper
BREAKING: বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা কাল      মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তোফায়েল আহমেদ      দেশে হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু      কমলো এলপি গ্যাসের দাম      আদালতের বাইরে আসামির কথা বলা ও প্রচার না করতে নির্দেশনা      পশ্চিমবঙ্গের সরকারে নেই মুসলিম প্রতিনিধি      দাম কমেছে স্বর্ণের       

‘কালো সোনা’ নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন গোয়ালন্দের চাষিরা

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩৩ পিএম   (ভিজিট : ৩৫৬)

পেঁয়াজের সাদা ফুল শুকিয়ে বের হয় কালো বীজ। যার বাজারদর আকাশছোঁয়া। তাই একে বলা হয় ‘কালো সোনা’। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা হুমায়ুন আহমেদ এই পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন করে লাভের স্বপ্ন দেখছেন।

জেলার শ্রেষ্ঠ কৃষক হওয়ার পাশাপাশি কৃষি ক্ষেত্রে অনেক তরুণ কৃষকের আদর্শ তিনি। তিনি যে ক্ষেত্রেই হাত দেন, সফল হন—ধান, সবজি সহ বিভিন্ন ধরনের ফসলের আবাদে। এবার তিনি প্রায় চল্লিশ শতাংশ জমিতে চাষ করেছেন ‘কালো সোনা’ পেঁয়াজের বীজ। বিদেশি উন্নত জাতের এই পেঁয়াজের দানা থেকে উৎপাদিত চারায় বিঘায় (৩৩ শতাংশ) ১২০–১৫০ শত মন পেঁয়াজ উৎপাদনের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

চলতি মৌসুমে আবহাওয়া বেশ অনুকূলে থাকায় পেঁয়াজ বীজের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন মাঠে বাতাসে দুলছে কালো সোনার সাদা ফুল। আর এই সাদা ফুলের কদমেই লুকিয়ে রয়েছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন। ‘কালো সোনা’ খ্যাত পেঁয়াজ বীজের উৎপাদন পদ্ধতিও অন্যান্য কৃষকের তুলনায় আলাদা।

সরজমিনে উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের তোরাপ শেখের পাড়া গেলে দেখা যায়, প্রতি তিন-চার সারি জাল দিয়ে আলাদা করা হয়েছে, উপরের জালের মধ্যে দিয়ে বীজ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ঝড়-বৃষ্টিতে গাছ না পড়ে সে জন্য এই ব্যবস্থা। পদ্মপারের এলাকা হওয়ায় এখানে ঝড়-বৃষ্টি তুলনামূলকভাবে বেশি। বীজ গাছ নিচে পড়লে সমস্যা হয়, তাই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বাংলাদেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজবাড়ী জেলা। দেশে উৎপাদিত মোট পেঁয়াজের ১৪ শতাংশ উৎপাদন হয় এই জেলায়। এখানকার পেঁয়াজ আবাদের পাশাপাশি কদম পেঁয়াজ বীজের আবাদও প্রচুর পরিমাণে হয়ে থাকে।

পেঁয়াজ আবাদে যে পরিমাণ বীজ প্রয়োজন, তার অধিকাংশই জেলাতেই উৎপাদিত হয়। উৎপাদিত এসব বীজ জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হয়। বেশি দামের কারণে চাষি ও কৃষি অধিদপ্তর এই বীজকে ‘কালো সোনা’ বলে ডাকে।

চাষিরা বলছেন, আবহাওয়া ভালো থাকলে খরচ বাদ দিয়ে এই পেঁয়াজের বীজ চাষে লাভ দ্বিগুণেরও বেশি হয়। তাই এটি ‘কালো সোনা’ নামে পরিচিত। বীজ আবাদ করে চাষিরা অন্যান্য ফসলের তুলনায় বেশি লাভবান হন।

এক বিঘা জমিতে চাষ করতে খরচ হয় দেড় লক্ষ থেকে এক লাখ সত্তর হাজার টাকা। বিক্রি হয় প্রায় সাত থেকে দশ লক্ষ টাকায়। বিদেশি উন্নত জাতের এই পেঁয়াজের দানা থেকে উৎপাদিত পেঁয়াজের ফলন দেশি পেঁয়াজের তুলনায় দ্বিগুণ হওয়ায় উপজেলার চাষিদের মধ্যে এই বীজ ছড়িয়ে দিতে চান হুমায়ুন আহমেদ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রায়হানুল হায়দার বলেন, “গোয়ালন্দ উপজেলায় এবার সাত হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের দানা চাষ হয়েছে এবং কৃষকদের মাঝে প্রণাদনার বীজ দেওয়া হয়েছে প্রায় ১০ বিঘা জমির। হুমায়ুন আগ থেকেই উপজেলার একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তা এবং সে ভালো বীজ উৎপাদন করে। কৃষি কাজে সে একজন সফল চাষি।”

এসআই/আরএন




LATEST NEWS
MOST READ
আরও পড়ুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; Advertisement: 41053012.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news©dailyobserverbd.com, advertisement©dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd©gmail.com
🔝
close