সার্কাসের সেই মেয়েটির জন্য আমার কষ্ট হয়
চিনচিন ব্যথা করে বুকের বামপাশে–
একে ভালোবাসা কিংবা প্রেম বলাই যায়!
কিছু দ্বিধা কিছু অনিশ্চিত ছায়া থাকলেই
নিশ্চিত হই অন্য আয়নায় দেখি নিজের ছবি;
শারীরিক কসরতে কথার ফুলঝুরি
কাতুকুতু হাস্যরসে হাতির টোলে বসা
বাঘের বিড়াল সাজা গাধার পিঠে ভাঁড়দের ভিড়
বানরের বাঁদরামি আয়োজন বলুন কী নেই!
মেলার সব গেইট খোলা
জর্জ অরওয়েলের খামার বেদখল হয়ে গেছে
সূর্য তো গায়ে আগুন লাগায়!
চাঁদে রোমান্টিকতার বয়স কই– চলো আঁধারে বসি মুখোমুখি ;
সময় নেই, ছিনাল আমি জানোই তো
ডিজিটাল তসবিহ গুনি–ওর জন্য তুলে রাখি
দুধের সর জমিয়ে জমিয়ে
মালাই তুলে দিই মুখে গণেশের চকচকে ভুড়ি
বেলুন আমার আকাশ ভ্রমণের বাহন;
বাঁধন ছিঁড়ে গেলে কচি কষ্টকষ নেমে যায়
শিরদাঁড়া ধরে বোঁটা থেকে চলে যাই দূরে বহুদূরে– ধবধবা সাদা উরুতে ইলাস্টিকের
কালচে দাগের সৌন্দর্য নিয়ে ও তখন
পুলসিরাতের সুতোয় হেঁটে চলে– আর আমি
নিচে বসে দর্শক হয়ে দুরুদুরু বক্ষে দেখি-
সার্কাসের বাহাদুরি!