বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ব্যাংকের টাকা লুটকারীদের নেতা হতে দেওয়া হবে না। ব্যাংকের অর্থ বিদেশে পাচার করতে দেওয়া হবে না। ক্ষমতায় গেলে ব্যাংকের পাচারকৃত অর্থ খুঁজে খুঁজে বের করে রাষ্ট্রীয় তহবিলে জমা দেওয়া হবে। সেই টাকা দিয়ে উন্নয়নের যাত্রা শুরু করা হবে।
শুক্রবার দুপুর ১২টায় বাউফল উপজেলার পাবলিক মাঠে ১১ দল আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে আমীর এসব কথা বলেন।
আমীর আরও বলেন, কোনো মামা-খালুর টেলিফোন চলবে না। দেশের প্রধানমন্ত্রী হোক কিংবা রাষ্ট্রপতি—কার বাড়ি কোথায়, সেটা দেখা হবে না। ন্যায্যতার ভিত্তিতে জনগণের পাওনা নির্ধারণ করা হবে। দুর্নীতি করলে প্রধানমন্ত্রীকেও ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। নদীভাঙন থেকে শুরু করে যত বঞ্চনা আছে, তার জন্য লড়াই করতে হবে না, দাবি তুলতে হবে না। আমরা আপনাদের কাছে সেবা পৌঁছে দেব। সমগ্র বাংলাদেশ আমার বাড়ি; আমি একটা ট্রাক—যেখানে সমস্যা, সেখানেই পৌঁছে যাব।
তিনি আরও বলেন, সামনে গণভোট ও সাধারণ নির্বাচন। ১২ তারিখ নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে। দখল, দুর্নীতি ও ফ্যাসিবাদ রুখে দিয়ে ১৩ তারিখ নতুন বাংলাদেশের নতুন সূর্য উদিত হবে। চাঁদাবাজি আমরা করি না, কাউকে করতেও দেব না। অপরাজনীতির শিকার নিরীহ মানুষদের মিথ্যা মামলা দিয়ে জীবন শেষ করে দেওয়া হয়। আগামী দিনে যদি কেউ মিথ্যা মামলা দিয়ে কাউকে হয়রানি করার চেষ্টা করে, তাকে শাস্তি দেওয়া হবে। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে জামায়াত আমীর বলেন, ১২ তারিখ বাংলাদেশে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী করতে হবে।
বক্তব্যের শেষে তিনি পটুয়াখালীর চারটি আসন ও বরগুনার একটি আসনের প্রার্থীদের হাতে স্ব স্ব দলের প্রতীক তুলে দেন।
সমাবেশ উপলক্ষে সকাল ৯টার আগেই পাবলিক মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
উপজেলা জামায়াতের আমীর মাও. ইসহাক মিয়ার সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এবং পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
এএস/আরএন