দল হিসেবে বিএনপি এক নম্বর। প্রার্থী হিসেবে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ এক নম্বর এবং মার্কা হিসেবে ধানের শীষ এক নম্বর। তাই ফুলবাড়ীর মানুষ এক নম্বরে ভোট দেবেন।
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে কুড়িগ্রাম-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের নির্বাচনী জনসভায় ধানের শীষে ভোট চেয়ে বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এ কথা বলেন।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী জছিমিঞা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “জামায়াত জোটের প্রার্থী শাপলা কলি এখনও কলি আছে, ভোটে নেই। তাই তাদের সত্যিকারের চরিত্র প্রকাশ পেয়েছে। তাদের আমীর বেহেশত টিকিট বিক্রি করছে। কিছু নারী যারা বাইরে কাজ করে, তাদেরকে খারাপ কাজের সাথে জড়িয়ে দেখানো হচ্ছে, যা একেবারেই জঘন্য। একজন নতুন প্রার্থী এসেছে, তাকে আপনারা চেনেন না। অপরিচিত লোককে ভোট দেবেন না। সঠিক সময় সঠিক মানুষকে বেছে নেওয়াই মূল কাজ।”
সাবেক এ উপমন্ত্রী আরও বলেন, “তারেক রহমানের চেয়ে বড় নেতা বাংলাদেশে নেই। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান। সরকার হবে সোহেলের দল (বিএনপি)। অন্য কোনো ব্যক্তি এমপি হলে লাভ হবে না।” তিনি বলেন, “লাঙ্গল কোন দল হলো ভাই? এটার কোনো ইঞ্জিন নেই। তারা দোসরদের সাথে জোট করেছিল, এখন কাঁদছে। তাদের ভোট চাওয়ার অধিকার নেই।”
তিনি তিস্তা নদী সংক্রান্ত পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করে বলেন, “আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলে এখানকার মানুষ বাড়িতে গরম ভাত খেয়ে তিস্তার পাড়ে কারখানায় কাজ করতে পারবে।”
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী) আসনের এমপি প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, হাসিবুর রহমান হাসিব, ফুলবাড়ী উপজেলা সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, আব্দুল মান্নান মুকুলসহ অনেকে।
সভায় নদী ভাঙন রোধ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, সন্তানদের নিরাপত্তা এবং মাদকবিরোধী পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের দেশ গড়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
এসি/আরএন