বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রটোকল ভেঙে মিশলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনায় প্রবেশের সময় রূপসা উপজেলার তিলক কুদির বটতলায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে হাত মেলান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনা সফর উপলক্ষে খুলনার প্রবেশদ্বার রূপসা উপজেলার তিলক কুদির বটতলায় নির্মাণ করা হয় পথসভার মঞ্চ। তাঁকে অভ্যর্থনা জানিয়ে মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার জন্য গঠন করা হয় তিন সদস্যের একটি দল। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগেই ওই তিনজন মঞ্চের সামনে অপেক্ষা করতে থাকেন।
দুপুর ২টা ১৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাসটি এসে থামে পথসভার মঞ্চের পাশে। অভ্যর্থনার দায়িত্বে থাকা নেতৃবৃন্দ তাঁর কাছে পৌঁছানোর আগেই গাড়ি থেকে নেমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যান প্রধানমন্ত্রী। কোনো প্রটোকলের তোয়াক্কা না করে উপস্থিত মানুষের সঙ্গে হাত মেলাতে থাকেন তিনি।
তাঁর এই আন্তরিকতায় আনন্দে উদ্বেলিত হন দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। পথসভাস্থলে উপস্থিত অনেককেই বলতে শোনা যায়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন প্রধানমন্ত্রী এই প্রথম, যিনি কোনো সভা-সমাবেশে গেলে মঞ্চে ওঠার আগেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত মেলান।
পরে প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে উঠে বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের বিষয় তুলে ধরেন।
এ ছাড়া ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভারত থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করতে নানা ষড়যন্ত্র ও নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় চব্বিশের মতো আরও একটি আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে সকালে তিনি মোংলা ও বাগেরহাটে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। পথসভা শেষে বেলা ২টা ৩৪ মিনিটে খুলনা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি সিজন-২’-এর উদ্বোধন করতে রওনা হন তিনি।
এ সময় কুদির বটতলা থেকে খানজাহান আলী সেতু পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ প্ল্যাকার্ড হাতে এবং হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান।
এসএস/আরএন