পিরোজপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পৌর ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাফিসকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার মিজান মাতুব্বরের ছেলে জিহাদ মাতুব্বর, সদর উপজেলার জুজখোলা গ্রামের মাহিদুলের ছেলে নাইম, মাছিমপুর গ্রামের শান, কালিবাড়ি এলাকার মিঠুর ছেলে তাশফি এবং শিকারপুর গ্রামের আউয়ালের ছেলে নিরব।
পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের এক পক্ষ অপর পক্ষের ওপর হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হন। গুরুতর আহত জিহাদকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুর পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শাওন (বাবু) বলেন, ‘ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নাফিস আহমেদ সিয়াম নামে একটি ছেলে আছে। তারা ২০-২৫ জন সংঘবদ্ধ হয়ে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে এসে কুপিয়ে জখম করে। দুই পক্ষেরই আহত আছে। রাজনৈতিক বিরোধের কারণে ঘটনা ঘটেছে। বিরোধের সূত্র ধরে নাফিসের নেতৃত্বে এ হামলা হয়েছে।’
পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন কুমার বলেন, তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং ঘটনাটি শুনেছেন। তাঁর ভাষ্য, ‘এখানে সিয়াম নামে যে ছেলেটির কথা এসেছে, তাকে আগেই ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এরপরও এ ঘটনায় ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, মারামারির ঘটনায় উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।