অপচয় রোধ, সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বানের মধ্য দিয়ে আজ ৩০ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব মিতব্যয়িতা দিবস। ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও জাতীয় জীবনে সঞ্চয়ের গুরুত্ব তুলে ধরতে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মিতব্যয়িতা মানে শুধু অর্থ সঞ্চয় করা নয়; বরং আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা, প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ করা এবং অপচয় থেকে বিরত থাকা। বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে মিতব্যয়ী হওয়ার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট ছোট সঞ্চয়ও দীর্ঘ মেয়াদে বড় আর্থিক নিরাপত্তার ভিত্তি তৈরি করতে পারে। শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা, পরিবারের আয় অনুযায়ী বাজেট তৈরি এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানোর মাধ্যমে মিতব্যয়ী জীবনযাপন সম্ভব।
বিশ্ব মিতব্যয়িতা দিবসের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের মধ্যে সঞ্চয় সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং ভবিষ্যতের আর্থিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করা। শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়েই নয়, জাতীয় অর্থনীতির উন্নয়নেও সঞ্চয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯২৪ সালে ইতালির মিলানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সঞ্চয় ব্যাংক কংগ্রেসে বিশ্ব সঞ্চয় বা মিতব্যয়িতা দিবস পালনের ধারণা আসে। সাধারণভাবে ৩১ অক্টোবর দিবসটি পালিত হলেও বাংলাদেশে ৩০ অক্টোবর বিশ্ব মিতব্যয়িতা দিবস হিসেবে পরিচিত।
এফএস