জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য, পরিবেশবান্ধব ও মানসম্পন্ন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন।
তিনি বলেছেন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে মানসম্মত নির্মাণসামগ্রীর কোনো বিকল্প নেই।
বুধবার (২৮ নভেম্বর) এলজিইডি সদর দপ্তরের সেমিনার কক্ষে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট লোকাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার সেন্টার (ক্রিলিক) আয়োজিত ‘অ্যাসেসমেন্ট অব বেস্ট প্র্যাকটিস ইন টার্মস অব বিল্ডিং মেটেরিয়ালস’ নিরূপণবিষয়ক অন্তর্বর্তীকালীন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার মেইনস্ট্রিমিং প্রজেক্টের (ক্রিম্প) আওতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
মো. বেলাল হোসেন বলেন, নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের সর্বোত্তম চর্চা নিরূপণে এ সমীক্ষা এলজিইডির জন্য অত্যন্ত সময়োপযোগী উদ্যোগ। ক্রিলিকের এ উদ্যোগের মাধ্যমে নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের সর্বোত্তম চর্চাগুলো মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও ক্রিলিকের পরিচালক সালমা শহীদ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান ও টেকসই ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় উপযুক্ত নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের সর্বোত্তম চর্চা চিহ্নিত করে তা এলজিইডির সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ে প্রয়োগ করতে হবে।
কর্মশালায় অ্যাসাইনমেন্টের জন্য নিযুক্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইকিউএমএস কনসালটিং লিমিটেডের টিম লিডার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র মেটেরিয়াল স্পেশালিস্ট মো. গোলাম মাওলা এবং প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর প্রত্যয় মজুমদার পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে তাঁদের পর্যবেক্ষণ ও কার্যক্রম তুলে ধরেন।
কর্মশালায় এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, নির্বাহী প্রকৌশলী ও সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ক্রিম্প-ক্রিলিকের প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল খালেক এবং ক্রিলিকের নির্বাহী প্রকৌশলী ফাতেমা ইসমত আরা কর্মশালায় অংশ নেন।
এসএস