আজ আন্তর্জাতিক অ্যানিমেশন দিবস। বিশ্বজুড়ে অ্যানিমেশন শিল্পের সৃজনশীলতা, বিকাশ এবং বিনোদন ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে এর গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকৃতি দিতে দিবসটি পালিত হয়।
অ্যানিমেশন বর্তমানে চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, বিজ্ঞাপন, ভিডিও গেম, শিক্ষা ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। হাতে আঁকা ছবির ধারাবাহিক উপস্থাপন থেকে শুরু করে আধুনিক ত্রিমাত্রিক অ্যানিমেশন—প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে এই শিল্পে যুক্ত হয়েছে নতুন মাত্রা ও সম্ভাবনা।
২০০২ সালে আন্তর্জাতিক অ্যানিমেটেড ফিল্ম অ্যাসোসিয়েশন -এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক অ্যানিমেশন দিবস উদ্যাপন শুরু হয়। ১৮৯২ সালের ২৮ অক্টোবর ফ্রান্সের প্যারিসে চার্লস-এমিল রেনোর ‘থিয়াত্র অপটিক’ প্রদর্শনীর ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করে দিবসটির তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
বর্তমানে অ্যানিমেশন কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; গল্প বলা, শিক্ষা, সচেতনতা সৃষ্টি এবং সৃজনশীল চিন্তার বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসারের ফলে বিশ্বজুড়ে এই শিল্পে কর্মসংস্থান ও নতুন উদ্যোগের সুযোগও বাড়ছে।
বাংলাদেশেও অ্যানিমেশন ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণে তরুণদের আগ্রহ বাড়ছে। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির সুযোগ সম্প্রসারণ করা গেলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অ্যানিমেশন শিল্পের সম্ভাবনা আরও বাড়তে পারে।
আন্তর্জাতিক অ্যানিমেশন দিবসে অ্যানিমেশন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত শিল্পী, নির্মাতা, ডিজাইনার ও প্রযুক্তিবিদদের সৃজনশীল অবদান আমাদের বিমোহিত করে।
এফএস