শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার শালমারা গ্রামে কবরস্থানের জায়গা না থাকায় বসতঘরের ভেতরে দাফন করা হয়েছিল আব্দুল করিম মিয়া (৭০) নামের এক বৃদ্ধকে।
বিষয়টি জানার পর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কবরস্থানের জন্য ১০ শতাংশ জমির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরে ওই কবরস্থানে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তাঁর মরদেহ স্থানান্তর করে দাফন করা হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন এ তথ্য জানান।
জেলা প্রশাসক বলেন, বসতঘরের ভেতরে মরদেহ দাফনের বিষয়টি জানার পর শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা আহমেদকে সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরিবারের সদস্য, স্থানীয় নাগরিক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে কবরস্থানের জন্য জমির ব্যবস্থা করা হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ শতাংশ জমি কেনা হয়েছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি আরও পাঁচ শতাংশ জমি দান করেন।
নিহত আব্দুল করিম মিয়া শ্রীবরদী উপজেলার তাতিহাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শালমারা গ্রামের বাসিন্দা।
জেলা প্রশাসক আরও জানান, পরিবারটি অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছে। পরিবারের আর্থিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে জীবিকা নির্বাহের জন্য করিম মিয়ার ছেলেকে একটি ইজিবাইক দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে করিম মিয়া মারা যান। পরদিন সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে নিজেদের বসতঘরের টিনের বেড়া খুলে সেখানে তাঁকে দাফন করেন পরিবারের সদস্যরা।
এমএস/এসএস