প্রায় সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং ১১টি লাইসেন্স বহির আলামত নষ্ট করার অভিযোগে খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. আশিকুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন।
প্রথম মামলার তিন আসামি হলেন কেসিসির লাইসেন্স পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার ফারুক হোসেন তালুকদার (৫৫) এবং হিসাব বিভাগের ক্যাশিয়ার সঞ্জীব কুমার সাহা (৩৯)।
তাঁদের বিরুদ্ধে ৩৪ লাখ ২১ হাজার ১১২ টাকা আত্মসাৎ, দায়িত্বে অবহেলা ও সঠিকভাবে হিসাব সংরক্ষণ না করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৯/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
তবে কেসিসি কর্তৃপক্ষের নিরীক্ষা ও তদন্তে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ অর্থবছরের উল্লেখিত টাকা মো. হাবিবুর রহমান ফেরত দেন।
দ্বিতীয় মামলার আসামিরা হলেন কেসিসির লাইসেন্স পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান, মনিরুল ইসলাম (৫৯), শেখ শাহেদ হাসান (৪০), লাইসেন্স পরিদর্শক ও বর্তমানে কনজারভেন্সি সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালনরত কাজী মনজুর-উল-আলম (৪২) এবং সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার ফারুক হোসেন তালুকদার (৫৫)।
তাঁদের বিরুদ্ধে ১১টি লাইসেন্স বহি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে গায়েব করা, অপরাধের প্রমাণ ও আলামত নষ্ট করা এবং পরস্পর যোগসাজশে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৯/২০১/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক, খুলনার উপপরিচালক মামুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, খুব শিগগিরই অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হবে।
এসএস/আরএন