ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের রাতযাপনে সিদ্ধান্ত সংশোধন
✎ অবজারভার প্রতিবেদক
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম আপডেট: ২৭.১০.২০২৬ ৬:৫৯ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের রাতযাপন নিয়ে বিভ্রান্তির অবসান হয়েছে। সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা দ্বীপটিতে যাতায়াতের পাশাপাশি রাতেও থাকতে পারবেন। 

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আগের সিদ্ধান্ত সংশোধন করে এ সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান প্রথম আলোকে বলেন, নভেম্বর এবং ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন পুরো সময়েই পর্যটকেরা দ্বীপে থাকতে পারবেন।

গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ২৫ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা পাঠানো হয়। এতে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা বহাল রাখায় নভেম্বর মাসে রাতযাপনের সুযোগ থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

আগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে পর্যটকেরা শুধু দিনের বেলায় দ্বীপে যেতে পারতেন এবং একই দিনে ফিরে আসতে হতো। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে রাতযাপনের অনুমতি ছিল। নতুন মৌসুমে পর্যটকদের যাতায়াতের সময়সীমা বাড়ানো হলেও রাতযাপনের ক্ষেত্রে পুরোনো নিয়ম বহাল থাকছে বলে ধারণা তৈরি হয়। এতে পর্যটক, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী ও জাহাজমালিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়।

সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, পর্যটকবাহী জাহাজ আগের মতোই কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ঘাট থেকে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

এবার দ্বীপে প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক যাওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রত্যেক পর্যটককে দিতে হবে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি। দ্বীপে যেতে ট্রাভেল পাসও বাধ্যতামূলক থাকছে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এ জন্য কারিগরি প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে গত ২৫ অক্টোবর সংস্থাটির এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন।

এদিকে, দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আগের প্রজ্ঞাপনের বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে। এসব বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন নিষিদ্ধ করা। কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ ও কেনাবেচাও নিষিদ্ধ।

এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইকের মতো যানবাহন চালানোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এসএস
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১
E-mail: [email protected], [email protected]. [email protected], [email protected], [email protected], ‍[email protected], Online-email: [email protected]

🔝
Advertisement