চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাটে ফেরির ধাক্কায় পন্টুনের র্যাম্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে পাশে থাকা একটি স্পিডবোট থেকে শিশুসহ কয়েকজন যাত্রী নদীতে পড়ে যান বলে জানা গেছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, ফেরির ধাক্কায় ঘাটের পন্টুনের র্যাম্প ভেঙে যায়। একই সময় পাশে থাকা স্পিডবোটের কয়েকজন যাত্রী নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে শিশুও ছিল বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।সন্দ্বীপের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এ নৌরুটে প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী চলাচল করেন।
ফলে ফেরি পরিচালনায় অসতর্কতা কিংবা নিরাপত্তাব্যবস্থায় ঘাটতি থাকলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এ ঘটনার পর নৌযান পরিচালনা ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।এ ঘটনায় ফেরি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মাস্টার আমির হোসেনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, পন্টুনের র্যাম্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং স্পিডবোটের যাত্রীরা নদীতে পড়ে যাওয়ার কারণ খতিয়ে দেখতে হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফেরি মাস্টার আমির হোসেনের দায়িত্ব পালনের সময় আগেও পন্টুনে ধাক্কা লাগার ঘটনা ঘটেছিল। তবে আগের ঘটনা ও বর্তমান অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।সন্দ্বীপবাসীর দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ফেরি পরিচালনায় কোনো অবহেলা ছিল কি না, তা নির্ধারণ করতে হবে।
পাশাপাশি পন্টুনের ক্ষয়ক্ষতি, যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির বিষয়টিও খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও দুর্ঘটনার পরিস্থিতির তথ্য জানতে ফেরি মাস্টার আমির হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘র্যাম্প পজিশনিং করার সময় একটু ডানে-বামে দেওয়া লাগে। ওই সময় একটু ধাক্কা লাগে। যেটা দেখে যাত্রীরা ভয়ে লাফ দিয়েছে। তবে বড় ধরনের কিছু ঘটে নাই।’
টিআই