সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেগে পাওয়া টাকা আপাতত বণ্টন করা হচ্ছে না। সংগৃহীত সব টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হবে বলে জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে পঞ্চম দফায় প্রকাশ্যে দানবাক্স ও ডেগে পাওয়া অর্থ গণনা কার্যক্রম শুরুর পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক বলেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর গঠিত কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দানবাক্সের টাকার ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নকাজে এবং ৬৫ শতাংশ দৈনন্দিন খরচ ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে ব্যয় করার কথা ছিল। তবে এ সিদ্ধান্ত এখনই কার্যকর হচ্ছে না। আপাতত সংগৃহীত সব টাকা আগের মতোই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হবে। সেখান থেকে শুধু বিদ্যুৎ বিলসহ জরুরি ইউটিলিটি চার্জ এবং আনসার সদস্যদের বেতন পরিশোধ করা হবে।
তিনি আরও জানান, মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে একজন ম্যানেজার, একজন অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও একজন কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আরও প্রায় এক মাস সময় লাগতে পারে। তাঁদের নিয়োগ সম্পন্ন হলে প্রতিদিন টাকা গণনা করা হবে। তিন কর্মকর্তা নিয়োগের পরই ৬৫:৩৫ অনুপাতে অর্থ ব্যয়ের নীতি কার্যকর করা হবে।
উল্লেখ্য, মাজার পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে প্রধান করে সাত সদস্যের একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৮ জুন পুরোনো দানবাক্স সিলগালা করার পর চার দফায় মোট ২ কোটি ২৯ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪০ টাকা পাওয়া যায়। শনিবার পঞ্চম দফায় পাওয়া নগদ অর্থ, বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার গণনার কাজ চলছে।
-টিএস