ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশ, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
✎ অবজারভার প্রতিবেদক
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৬ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাজধানীতে গ্রাম পুলিশদের মহাসমাবেশ আয়োজন করতে যাচ্ছে সরকার। এতে সারা দেশ থেকে প্রায় ৫০ হাজার গ্রাম পুলিশ অংশ নেবেন। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে গ্রাম পুলিশদের মহাসমাবেশ আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইউনিয়ন পরিষদের তৃণমূল পর্যায়ে কর্মরত গ্রাম পুলিশদের নিয়ে সরকারিভাবে এ ধরনের মহাসমাবেশ আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, গ্রাম পুলিশরা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে সমাবেশ করে মন্ত্রী ও সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছে দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন। পরে সরকার সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করে। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চিন্তা করেছেন, সরকারিভাবে তাদের ডেকে এনে সরাসরি তাদের কথা শুনবেন।

‘একদম তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের খোঁজখবর যারা রাখেন, পুলিশকে সহায়তা করেন, ইউনিয়ন পরিষদকে সহায়তা করেন, সেই গ্রাম পুলিশদের কথা প্রধানমন্ত্রী সরাসরি শুনতে চান। তাদের দাবি-দাওয়াগুলো শুনে যতদূর সম্ভব সরকারের সামর্থ্যের মধ্যে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নেওয়া হবে’, বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানান, আগামী ৭ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর সাবেক বাণিজ্যমেলার মাঠে এ মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। সভাপতিত্ব করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

সমাবেশ আয়োজনের দায়িত্ব পালন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এতে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৭ হাজার গ্রাম পুলিশ রয়েছেন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাদের আইনগত ক্ষমতা, বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার।

তিনি বলেন, গ্রাম পুলিশের ক্ষমতা ও দায়িত্ব আইন দ্বারা নির্ধারিত। তবে তাদের সুযোগ-সুবিধা আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে কি না, তা পর্যালোচনা করা হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকারের উপপরিচালকদের (ডিডিএলজি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

‘তাদের আইনগতভাবে ক্ষমতা বৃদ্ধি, বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি বা অন্যান্য কী কী করা যায়, এসব বিষয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রস্তাব দিতে ডিডিএলজি সাহেবদের নির্দেশনা দিয়েছি। প্রস্তাব পাওয়ার পর মন্ত্রণালয় আলোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারসংক্ষেপে উপস্থাপন করবে। তিনি যেসব বিষয় অনুমোদন করবেন, সেগুলো সমাবেশে ঘোষণা দেওয়া হবে’, বলেন মীর শাহে আলম।

তিনি আরও বলেন, সমাবেশে গ্রাম পুলিশরা নতুন কোনো দাবি তুলে ধরলে সেগুলোও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

মীর শাহে আলম বলেন, মহাসমাবেশস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সার্বিক আয়োজন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা ওয়াসা, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ও বিদ্যুৎ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সহযোগিতা করবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউটিলিটি বিভাগগুলোকে নিয়ে পরবর্তী সময়ে আরেকটি প্রস্তুতিমূলক সভা করা হবে বলেও জানান তিনি।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক প্রচারের উদ্যোগ

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কম। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান তার কাছে তাৎক্ষণিকভাবে নেই বলে জানান তিনি।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, সচেতনতা বাড়ানো, প্রচার চালানো এবং লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

‘কাল থেকে ব্যাপক আকারে আমরা মাইকিং করব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার তো করবই। সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা হবে, যাতে তারা নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখেন এবং এডিস মশার লার্ভা জন্মানোর উপযোগী জায়গাগুলো ধ্বংস করেন’, বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানান, প্রতি শনিবার বিএনসিসি, স্কাউট, রোভার স্কাউট, গার্লস গাইড, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম চলছে। আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি শনিবার এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

রাজধানীর পল্টন থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দুর্গন্ধের বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পুরো ঢাকা শহরই একসময় দুর্গন্ধে ভরা ছিল। পর্যায়ক্রমে শহরকে দুর্গন্ধমুক্ত করার কাজ চলছে।

এ সময় তিনি উপস্থিত দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে বিষয়টি নোট করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

টিআই
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement