গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ছেলের নামে জমি লিখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জেরে মৃত্যুর প্রায় ২৭ ঘণ্টা পর নাজির উদ্দিন ব্যাপারী (৭০) নামে এক ব্যক্তির দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে ধাপেরহাট ইউনিয়নের বোয়ালীদহ গ্রামে তাঁর দাফন করা হয়। এর আগে মেয়ের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের সমাধানে তাঁকে দেড় লাখ টাকা দিয়ে সমঝোতা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাজির উদ্দিন রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে মারা যান। সোমবার সকাল ১০টায় তাঁর জানাজা ও দাফনের আয়োজন করা হলেও জমি নিয়ে বিরোধের কারণে তা আটকে যায়।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, নাজির উদ্দিন প্রায় এক বছর আগে তাঁর ছেলে ইদ্রিস আলীর (৪০) নামে প্রায় চার বিঘা জমি লিখে দেন। এতে মেয়ে হালিমা বেগম (৫০) ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বাবার মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনের আয়োজন করা হলে জমির ভাগ নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে হালিমা জানাজা ও দাফনে আপত্তি জানান।
পরে পরিবারের সদস্য, স্বজন ও স্থানীয় ব্যক্তিরা বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ নেন। আলোচনার পর হালিমা বেগমকে দেড় লাখ টাকা দিয়ে সমঝোতা করা হয়। এরপর সোমবার বিকেল ৫টার দিকে নাজির উদ্দিনের দাফন সম্পন্ন হয়।
হালিমা বেগম বলেন, তিনি তাঁর ন্যায্য অধিকার চেয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। পরে বিষয়টি সমাধান হয়েছে।
ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শাহ মো. জিল্লুর রহমান বলেন, উভয় পক্ষ ও গ্রামবাসীকে নিয়ে বিরোধ মীমাংসার জন্য আলোচনা করা হয়। সমঝোতার পর নাজির উদ্দিনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইস্তেকার হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্য পাঠানো হয়েছিল। পারিবারিক বিরোধটি সমাধানে স্থানীয়রা উদ্যোগ নেন।
টিএইচ/এসএস