পটুয়াখালীর দশমিনায় মা ইলিশ রক্ষায় আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরতে নামার অভিযোগে আটজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে জালসহ মাছ ধরার সরঞ্জামাদি ও তিনটি ট্রলার জব্দ করা হয়।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর লালচর এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও নৌ পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা তাঁদের এ দণ্ডাদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের ছোট শিবা গ্রামের মৃত আনছার জোমাদ্দারের ছেলে লিটন (৪০), ধীরেন রানার ছেলে দিলীপ (৪৫), রব হাওলাদারের ছেলে নিরব (২৮), খলিল হাওলাদারের ছেলে রাব্বি (২২), আমির হোসেনের ছেলে রাসেল (২৭), মৃত আজিজ কাজীর ছেলে বাবুল (৩৮) এবং ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আফির কাজির ছেলে রাজ্জাক (৫০) ও মন্নান হাওলাদারের ছেলে জসিম (৫০)।
উপজেলা প্রশাসন ও নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ ধরতে নামছিলেন। এ সময় তাঁদের আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা পেশাদার জেলে নন; তাঁরা মৌসুমি জেলে।
অভিযানে জব্দ করা জাল ও মাছ ধরার সরঞ্জামাদি নদীতীরের হাজীরহাট লঞ্চঘাট এলাকায় পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা দ্য ডেইলি অবজারভারকে বলেন, “ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের সুরক্ষায় নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ। ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকা পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
এসটি/আরএন