নাটোরের গুরুদাসপুরে কালো জাদু বা ‘কুফরি কালাম’ করার অপবাদ দিয়ে দুই মধ্যবয়সী নারী ও এক তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে এনে মারধর এবং গলায় জুতার মালা পরিয়ে সড়কে ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ, ইয়ারুল ইসলাম ও গুরুদাসপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য জিয়াউর রহমান জিয়ার নেতৃত্বে ওই তিন নারীকে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হয়। পরে তাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে গলায় জুতার মালা পরিয়ে প্রকাশ্যে সড়কে ঘোরানো হয়।
ইয়ারুল ইসলামের দাবি, ওই নারীরা কবিরাজের মাধ্যমে তার মেয়েকে ‘বান’ মেরেছেন। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। তবে নারীদের জুতার মালা পরিয়ে ঘোরানোর অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হান্নান বলেন, নারীদের জুতার মালা পরিয়ে ঘোরানোর বিষয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। কুসংস্কার বা অপবাদকে কেন্দ্র করে কাউকে প্রকাশ্যে অপমান ও নির্যাতনের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
এফএস