ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
সদ্য বিবাহিত দম্পতিদের যে পরামর্শ দিলেন শাহরুখ খান
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩১ এএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

বলিউডের ‘কিং অব রোমান্স’ শাহরুখ খান বাস্তবজীবনেও যে সম্পর্কের রসায়ন গভীর থেকে বোঝেন, তার প্রমাণ আরও একবার পাওয়া গেল। সামাজিক মাধ্যমে এক ভক্ত নবদম্পতিদের জন্য সুখী বিবাহিত জীবনের ‘গ্রিন ফ্ল্যাগ’ বা মূল চাবিকাঠি কী, তা জানতে চেয়ে প্রশ্ন করলে সুখী দাম্পত্যের ইতিবাচক দিক হচ্ছে— পারস্পরিক সমঝোতা ও মানিয়ে নেওয়া। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে আয়োজিত ‘আস্ক এসআরকে’ সেশনে এমন প্রশ্নের উত্তরে বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান এ পরামর্শ দেন। 

বলিউড বাদশাহ বলেন, 'একে অপরের রঙে রঙিন হয়ে ওঠো...। নিজেদের মধ্যে মানিয়ে নাও, যাতে তোমরা দুজনেই সঙ্গীকে আরও সুখী করতে পারো।’ 

শাহরুখ খানের এই মন্তব্য শুধুই রোমান্টিক নয়, এর পেছনে রয়েছে গভীর মনস্তাত্ত্বিক তত্ত্ব। এ বিষয়ে রিলেশনশিপ কোচের মতে, দুজন মানুষ যদি সম্পর্কে আগের মতো বেঁচে থাকার জেদ ধরে রাখেন, তবে কোনো ভালোবাসার সম্পর্কই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। 

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর অ্যাডজাস্টমেন্টের অর্থ হলো— সঙ্গীর জন্য নিজের জীবনে জায়গা তৈরি করে নেওয়া। সঙ্গী কীভাবে মানসিক দ্বন্দ্বে সাড়া দেন, তা বুঝে যোগাযোগের মাধ্যম বদলানো, সপ্তাহান্ত কীভাবে কাটাবেন, দায়িত্ব কীভাবে শেয়ার করে নেবেন কিংবা কঠিন দিনের পর সঙ্গীর নীরবতার প্রয়োজনকে সম্মান জানানো— এসব ছোট ছোট বিষয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান এ কিংবদন্তি অভিনেতা।

বাদশাহর ভালোবাসার ভিত্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো— অন্যকে খুশি করতে গিয়ে নিজের অস্তিত্বকে ছোট করা যাবে না। অসুস্থতা, ক্যারিয়ারের চাপ, গর্ভাবস্থা কিংবা শোকের মতো কঠিন সময়ে একজন সঙ্গীকে বেশি দায়িত্ব বহন করতে হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে দুজনকেই অনুভব করতে হবে— ‘তোমার আনন্দ যেমন আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, আমার আনন্দও তোমার কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।’ 

তিনি বলেন, ভালোবাসায় দুজন মানুষ অনিবার্যভাবেই একে অপরের অভ্যাস, স্বাদ ও চিন্তাভাবনা দ্বারা প্রভাবিত হন। তবে সম্পর্ক গভীর হতে গিয়ে দুজনের নিজস্ব রঙ বা ব্যক্তিত্ব হারিয়ে যাবে না। দুটি আলাদা রঙ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি নতুন সুন্দর শেড তৈরি করাই আসল ভালোবাসা।

সম্পর্কের লক্ষ কেবল সঙ্গীকে খুশি করা নয়; বরং এমন একটি বন্ধন গড়ে তোলা, যেখানে দুজন মানুষই সমান ভালোবাসা, মর্যাদা, স্বতন্ত্রতা এবং সুখ অনুভব করতে পারেন। সাইকোথেরাপিস্টের ভাষায়— ভালোবাসায় অবশ্যই মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, তবে সুস্থ ভালোবাসা কখনো নিজের অস্তিত্ব বিসর্জন দেওয়ার দাবি করে না।

তাই সম্পর্কে কোনো বড় সিদ্ধান্ত বা অ্যাডজাস্টমেন্ট করার আগে বিশেষজ্ঞরা দম্পতিদের নিজেদের কাছে এই পাঁচটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার পরামর্শ দিয়েছেন—

প্রথমত আমি কি এটি নিজের ইচ্ছায় বেছে নিচ্ছি, নাকি 'না' বললে পরিণতি কী হবে সেই ভয়ে মেনে নিচ্ছি?

দ্বিতীয়ত আমার সঙ্গীও কি একই ভাবে আমার প্রয়োজন ও মানসিক শান্তির জন্য জায়গা তৈরি করছেন?

তৃতীয়ত এই অ্যাডজাস্টমেন্ট কি কেবল একটি অভ্যাস বদলাতে বলছে, নাকি আমার গুরুত্বপূর্ণ নীতি ও ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিতে বলছে?

চতুর্থত্ব অসম্মান বা মানসিক অবহেলার শিকার না হয়ে আমি কি সম্পর্কের মধ্যে দ্বিমত পোষণ করতে পারি?

পঞ্চমত বারবার আপস করার পর আমি কি এখনো নিজেকে এই সম্পর্কের মধ্যে চিনতে পারি?

এসএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement