ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
ফতুল্লায় মাদরাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ এক শিশুর মৃত্যু
✎ অবজারভার প্রতিবেদক
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৬ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আবাসিক মহিলা মাদরাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে আতিয়া (১১) নামে এক শিশু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এ ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ আরও দুই শিক্ষার্থী জিদনি (১৪) ও লামিয়া (১৩) বর্তমানে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।


মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিবিড় পরিচর্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আতিয়া মারা যায়।


এর আগে শনিবার বিকেলে ফতুল্লার কাশিপুর হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসার ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


দগ্ধ শিক্ষার্থীরা হলো— জিদনি (১৪), লামিয়া (১৩), সুমাইয়া (১৩), আসিয়া (১২) ও আতিয়া (১১)। তারা সবাই ওই মাদরাসার আবাসিক ছাত্রী।


প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার দিকে শিক্ষার্থীরা মাদরাসা ভবনের তিনতলার ছাদে খেলাধুলা করছিল। ভবনটির পাশ দিয়ে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুতের লাইন ও একটি ট্রান্সফরমার রয়েছে। খেলার সময় বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে অথবা কোনো কারণে ছাদ বিদ্যুতায়িত হয়ে তারা দগ্ধ হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিকট শব্দ ও আগুনের তাপ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা দগ্ধ হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে।


দগ্ধদের উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা সেলিনা বেগম জানান, হঠাৎ ছাদ থেকে বিকট শব্দ ও শিশুদের চিৎকার শুনে তিনি ঘর থেকে বের হন। পরে স্থানীয় কয়েকজন পুরুষ ছাদে গিয়ে দগ্ধ শিশুদের উদ্ধার করে নিচে নামান। এরপর দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

আহত শিক্ষার্থী আসিয়া জানায়, তারা ছাদে খেলছিল। হঠাৎ বিকট শব্দ হওয়ার পর আগুনের তাপ গায়ে লাগে। এরপর আর কিছু মনে নেই। একপর্যায়ে সে অচেতন হয়ে পড়ে।


দুর্ঘটনার পর গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় পাঁচ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।


জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, দগ্ধ পাঁচ শিশুর মধ্যে জিদনির শরীরের ৮২ শতাংশ, লামিয়ার ৫৫ শতাংশ, আতিয়ার ৪৫ শতাংশ, সুমাইয়ার ১৩ শতাংশ এবং আসিয়ার ৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।


তিনি জানান, নিবিড় পরিচর্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে আতিয়া মারা যায়। তার শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছিল।


বর্তমানে লামিয়া ও জিদনিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে সুমাইয়া ও আসিয়া জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে।


টিআই

Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement