পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পরস্পরের স্বার্থ ও দুই দেশের জনগণের কল্যাণে ভারতের সঙ্গে ভবিষ্যৎমুখী ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে কাজ করতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন তারা। পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় হয়।
সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় হুমায়ুন কবিরকে অভিনন্দন জানান। এ সময় দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষের আগ্রহের কথা উঠে আসে।
আলোচনায় নিউইয়র্কে সদ্য সমাপ্ত জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনও স্থান পায়। অধিবেশনে উত্থাপিত বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু এবং দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থের বিষয়গুলো নিয়েও তারা মতবিনিময় করেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে বাংলাদেশ ভবিষ্যৎমুখী ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। দুই দেশের জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে এমন একটি সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়, যেখানে পারস্পরিক সম্মান, স্বার্থের ভারসাম্য এবং জনগণের কল্যাণকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্ব নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।
বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সাংবাদিকদের জানান, সাক্ষাতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি। তবে বৈঠকটি ভালো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর প্রসঙ্গে বলেন, এ সফরের আমন্ত্রণ এখনো উন্মুক্ত রয়েছে। দুই দেশের সরকারপ্রধানের সুবিধাজনক সময়েই সফর ও বৈঠক হবে এবং এ নিয়ে তাড়াহুড়ার কিছু নেই।
এফএস