ইন্দোনেশিয়ায় ফেরিডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৬ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ ৬৯ জনকে উদ্ধারে সোমবার ১৬তম দিনের মতো অভিযান চালিয়েছেন ডুবুরিরা। তবে জাহাজের ভেতরে ছড়িয়ে থাকা জ্বালানি, অস্থিতিশীল কাঠামো ও বিপজ্জনক ধ্বংসাবশেষের কারণে উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
ভার্গো ট্রান্সপোর্ট ৮ ফেরিটি ১৩ সেপ্টেম্বর বৈরি আবহাওয়ার কারণে মধ্যে পূর্ব জাভার সুরাবায়া থেকে দক্ষিণ কালিমান্তানের বানজারমাসিন যাওয়ার পথে ডুবে যায়। এতে ৩০ জন ক্রুসহ মোট ২৪৩ জন যাত্রী ছিলেন।
মাদ্রিদে কেন বিক্ষোভ করছে ভাড়াটিয়ারামাদ্রিদে কেন বিক্ষোভ করছে ভাড়াটিয়ারা
দেশটির অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হার্দিয়ানস্যাহ পুত্রা বলেন, ১৬তম দিনের অভিযানে ডুবুরিরা অস্থিতিশীল ধ্বংসাবশেষের মধ্য দিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন। নিখোঁজদের কেবিনে পাওয়া যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ডুবুরিদের সর্বোচ্চ ২৭ মিটার গভীরতায় যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
জাভা সাগরে ডুবে যাওয়া জাহাজটি থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকটি মরদেহ সোমবার হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নেওয়ার কথা ছিল বলে জানিয়েছেন উদ্ধার সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ই পুতু সুদায়ানা।
তিনি বলেন, কয়েক ডজন ডুবুরি ৪ হাজার ২৭৭ টন ওজনের জাহাজটির ভেতরে তল্লাশি চালাচ্ছেন। জাহাজটি একদিকে কাত হয়ে থাকা, অস্থিতিশীল কাঠামো এবং ভেতরে ছড়িয়ে থাকা ধারালো বস্তু তাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। এর সঙ্গে ঘন গ্যাসের উপস্থিতি ও জ্বালানি লিক হওয়ার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে।
উদ্ধারকাজের ঝুঁকি ও জটিলতার কারণে অভিযান ধীরগতিতে এগোচ্ছে। এতে নিখোঁজদের স্বজনদের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা আরও বাড়ছে। উদ্ধার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, ১০৮ জন জীবিত উদ্ধার হয়েছেন এবং ৬৯ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
টিআইএস