পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, যারা ৫ তারিখে পালিয়ে গেছে, তারা ওই পাড়ে বসে তাদের কাজ করছে। তাদের নেতৃত্বে গাড়িতে আগুন দেওয়া, ককটেল মারা ও ঝটিকা মিছিল করা হচ্ছে। বর্তমান বিরোধী দলের অপকর্ম, কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও এর মিল খুঁজে পাওয়া যায়। দেশের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এবং তারেক রহমানের সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে।
তিনি বলেন, তাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এটা জিয়ার দল, এটা খালেদা জিয়ার দল। আন্দোলন করতে করতে এখানে এসেছি, রাজপথ থেকে আমরা উঠে এসেছি। রাজপথে আমরা ষড়যন্ত্রকারীদের মোকাবিলা করেছি। আগামী দিনেও এই অপশক্তিকে আমরা রাজপথে মোকাবিলা করব।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নে ওয়াপদা খালের তীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, গালিগালাজ এমনভাবে করে, এটা হলো বিরোধী দলের গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। এটা যদি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হয়, এ দেশের মানুষ তাদের গ্রহণ করেনি, ভবিষ্যতেও তাদের গ্রহণ করবে না। আর এদের গণতন্ত্রের সৌন্দর্যও বলা যাবে না। এরা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য নতুন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। তারা নিজেরাই বলছে, ১১ দলের দাবি না মানলে বোমাবাজি বন্ধ হবে না, ককটেলবাজি বন্ধ হবে না।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আমরা যেদিন শপথ নিয়েছি, সেদিন বিরোধী দল উপস্থিত ছিল না। মত ভিন্ন হতে পারে, বিভিন্ন বক্তব্য থাকতে পারে, আলোচনা হতে পারে। কিন্তু তারা ওই ফ্যাসিস্ট কায়দায়, ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে যেভাবে ১৯৮৬ সালে, ১৯৯৬ সালে সখ্যতা গড়ে তুলেছে, এখন আগামী পাঁচ বছর আমাদের শান্তিতে থাকতে দেবে না—এটাই হলো তাদের মনের কথা। প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত বুঝছি, মনের কথাটা কত খারাপ।
তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল ওপর দিয়ে সুন্দর কথা বলে, পার্লামেন্টে গিয়ে এত সুন্দর সুন্দর কথা বলে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তাদের কথায় গলে গিয়ে বরাদ্দ বাড়িয়ে দেন। কিন্তু বাইরে গিয়ে ওরা ’৭১-এর রূপ ধারণ করে। বাইরে গিয়ে তারা আমাদের বিরুদ্ধে অসভ্য ভাষায়—যেটা সভ্য ভাষা নয়—অশালীন, শিষ্টাচারবহির্ভূত ভাষায় কথা বলে, যে ভাষায় আমার-আপনার পরিবারের মধ্যে আলোচনা করা যায় না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপি ও সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজসহ অনেকে।
আরএইচ/আরএন