উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় লোকসানে পড়েছেন সিরাজগঞ্জের তাঁতিরা। গত কয়েক বছরে জেলায় অন্তত ১ লাখ তাঁত বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিরাজগঞ্জের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি তাঁতশিল্প। তবে সুতা ও অন্যান্য কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং বাজারজাতকরণ সমস্যায় অনেক তাঁতি পুঁজি হারিয়ে ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন। বাকবাটি ইউনিয়ন ২ নম্বর ওয়ার্ড তাঁতি সমিতির সভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক পেশা ছেড়ে দিয়েছেন প্রায় ২ লাখ শ্রমিক।
তাঁতিরা জানান, উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাপড়ের দাম না বাড়ায় নিয়মিত লোকসান হচ্ছে। ফলে অনেকে তাঁত বন্ধ করে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন।
সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত লিয়াঁজো কর্মকর্তা ইমরানুল হক বলেন, তাঁতজাত পণ্যের উৎপাদন ধরে রাখতে সরকার কম সুদে ঋণ দেওয়াসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি পণ্যের মান উন্নয়নে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
তাঁতি সংগঠন ও তাঁত বোর্ডের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জের নয় উপজেলায় বর্তমানে প্রায় ২ লাখ ইউনিট তাঁত সচল রয়েছে।
এসএস