ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
গাইবান্ধায় গরুর মাংস খেয়ে আরও তিনজন অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম
X
Advertisement

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নতুন করে আরও তিনজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স (তড়কা) শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তাঁরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসেন। এ নিয়ে উপজেলায় অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের বাজারপাড়া গ্রামের হায়দার আলী তাঁর স্ত্রী আমিনা বেগম ও চার বছর বয়সী ছেলে আদিলকে নিয়ে ভাগ্নির বাড়িতে দাওয়াত খেতে যান। সেখানে তাঁরা গরুর মাংস খান। ওই রাতেই তিনজনের জ্বর ও মাথাব্যথা শুরু হয়। পরে তাঁদের হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোস্কা দেখা দেয়।

নতুন করে আক্রান্ত তিনজন হলেন—সর্বানন্দ ইউনিয়নের পশ্চিম বাছোহাটী গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী শাহিনুর বেগম (৩৫), মৃত ছরিতুল্লাহর ছেলে আনছার আলী (৬৪) এবং আমির উদ্দিনের ছেলে জবেদ আলী (৪৫)।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে শনাক্ত হওয়া তিনজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ দেখা দেয়। পরে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর আগে উপজেলায় আরও ৩১ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ দেখা দিয়েছিল।

অ্যানথ্রাক্সের বিস্তার রোধে আক্রান্ত পশু জবাই ও মাংস বিক্রি না করা, অসুস্থ বা মৃত পশুর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পক্ষ থেকে অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি গবাদিপশুকে টিকা দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. কামরুল হাসান বলেন, ‘অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ নিয়ে উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের পশ্চিম বাছোহাটি গ্রামের তিনজন, পূর্ব বাছোহাটি গ্রামের ২৬ জন, রামজীবন ইউনিয়নের বাজারপাড়া গ্রামের তিনজন, দহবন্দ ইউনিয়নের বামনজল গ্রামের একজন ও সোনারায় ইউনিয়নের শিবরাম গ্রামের একজনসহ মোট ৩৪ জন জরুরি বিভাগে এসেছিলেন। তাঁদের সবাইকে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র দেওয়া হয়েছে। আতঙ্কের কিছু নেই। চিকিৎসায় এ রোগ ভালো হয়। তাঁরা সবাই সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা করি।’

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কে এম ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, ‘এ পর্যন্ত ২০ হাজার পশুর ভ্যাকসিন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৯ হাজার পশুকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। আরও ১০ হাজারের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো পেয়ে যাব।’
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement