রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার সীতার পাহাড়ে বেড়াতে এসে কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ সাড়ে তিন ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল।
রোববার দুপুর দেড়টার দিকে নয় বন্ধু সীতার পাহাড়ে বেড়ানো শেষে কর্ণফুলী নদীর ঘাটে গোসল করতে নামেন। এ সময় সাজিদ শাহারিয়ার সানম (২৪) নামে এক পর্যটক পানির স্রোতে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সরোয়ার হোসেন জানান, ঢাকার নরসিংদী এলাকা থেকে নয় বন্ধু কাপ্তাইয়ের সীতার পাহাড়ে বেড়াতে আসেন। দুপুর দেড়টার দিকে তারা নদীতে গোসল করতে নামেন। এ সময় সাজিদ শাহারিয়ার সানম পানির স্রোতে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন এবং টিম লিডার মো. রেজাউল করিম জানান, খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডুবুরি দল নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধানে অভিযান শুরু করে। কর্ণফুলী নদীতে জোয়ারের কারণে স্রোত বেশি থাকায় উদ্ধার অভিযানে কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল। পরে রাঙামাটি থেকে আরও একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে অভিযানে যোগ দেয়।
অভিযানের একপর্যায়ে কর্ণফুলী নদী থেকে সাজিদ শাহারিয়ার সানমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতক শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
নিহত সাজিদ শাহারিয়ার সানম (২৪) নরসিংদীর রায়পুর থানার মামুদপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবা মো. নাছির উদ্দিন অবসরপ্রাপ্ত এএসপি।
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। খবর পাওয়ার পরপরই ডুবুরি দলকে উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরে কর্ণফুলী নদী থেকে পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কেএইচ/আরএন