ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলীয় আল-জাওফ প্রদেশের একটি কারাগারে সৌদি আরবের বিমান হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে হুথিরা। নিহতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত সাতজন, যাদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন।
সোমবার হুথি-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আসবাহি এ তথ্য জানান। তাঁর দাবি, আল-জাওফ প্রদেশের আল-হাজম শহরের কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে এ হামলা চালানো হয়।
হুথি-নিয়ন্ত্রিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশন হামলার পরের কিছু ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে একটি ভবন ধসে পড়া এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে উদ্ধারকাজ চালানোর দৃশ্য দেখা গেছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা। তবে হামলার অভিযোগ নিয়ে সৌদি আরব এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।
এদিকে হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি আরবের চারটি নজরদারি ড্রোন ভূপাতিত করেছে তাদের বাহিনী। এর মধ্যে একটি চীনা নির্মিত CH-4 ড্রোনও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ইয়েমেনে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুথি ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনীর মধ্যে লড়াই আবারও তীব্র হয়েছে। জাতিসংঘের ইয়েমেনবিষয়ক বিশেষ দূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ সংঘাতরত পক্ষগুলোকে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ ও সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর আশঙ্কা, সাম্প্রতিক উত্তেজনা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।
ইয়েমেনের দীর্ঘদিনের যুদ্ধে কারাগারে বিমান হামলার ঘটনা নতুন নয়। ২০২২ সালে সাদার একটি বন্দিশিবিরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হামলায় অন্তত ৮৭ বন্দি নিহত ও প্রায় ২৬৬ জন আহত হয়েছিলেন।
এফএস