লালমনিরহাটের পাটগ্রামে আলোচিত শিশু ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করেছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার দুপুরে আসামি মোক্তার আলীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারার অপরাধে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে ১১ বছর বয়সী ভিক্টিম পাটগ্রাম উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালান। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদের প্রতিবেশী হওয়ায় মেয়েটি তাকে ‘দাদু’ বলে ডাকত। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আসামি ভিক্টিমকে একাধিকবার ধর্ষণ করলে সে ৪৯ দিনের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি পরিবারকে জানালে ভিক্টিমের বাবা আলকাছ হোসেন ২০২০ সালের ২৬ মে পাটগ্রাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বলেন, ১১ বছরের শিশুটিকে ধর্ষণ করার ফলে সে ৪৯ দিনের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিল। আসামি দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ রায়ের মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং অপরাধপ্রবণতা কমে যাবে।
এমএস/আরএন