ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
নেপালের সেই সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই : কাদায় চাপা পড়েছে সব
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

নেপালের ত্রিশূলী ৩-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের যে সুড়ঙ্গ থেকে শুক্রবার দুই শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছিল, সেখানে আর কেউই বেঁচে নেই। সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত ঘুরে এসে তা নিশ্চিত করেছেন উদ্ধারকারীরা। আর কাউকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করার সম্ভাবনাও সেখানে নেই। ফলে ওই সুড়ঙ্গের উদ্ধারকাজ শেষ করে দেওয়া হয়েছে।

নেপালের সশস্ত্র পুলিশবাহিনীর (এপিএফ) সাত সদস্যের একটি বিশেষ দল শুক্রবার ত্রিশূলীর সুড়ঙ্গটিতে প্রবেশ করেছিল। নেতৃত্বে ছিলেন হেড কনস্টেবল পবন বাহাদুর তামাং। নেপালি সেনার একটি দলও সেই উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছিল।

এপিএফ-এর সদস্য অম্বর মাহাত সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে বলেন, ‘‘গোটা প্রকল্পটির প্রত্যেক অংশ কাদা আর মাটিতে চাপা পড়ে গিয়েছে। কোনও কোনও অংশ পাথরে ভরে রয়েছে। আমরা সুড়ঙ্গের ভিতর হামাগুড়ি দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট এগিয়েছি। যেখানেই খুঁজেছি, শুধু কাদা আর মাটি পেয়েছি।’’ বানের পানির চাপে ওই সুড়ঙ্গের উপরের স্ল্যাবও ধসে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা।

গত ২৬ অগস্ট বুধবার সকালে ভোটেকোশী এবং ত্রিশূলী নদীতে যখন আকস্মিক বন্যা আসে, সে সময় নেপালের বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত ছ’টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ চলছিল। প্রতি ক্ষেত্রেই সুড়ঙ্গ কেটে মাটির নীচে বানানো হয়েছিল পাওয়ারহাউস। প্রত্যেকটি প্রকল্প বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু সুড়ঙ্গেই ৯০০ শ্রমিক নিখোঁজ বলে জানিয়েছে বিভিন্ন নেপালি সংবাদমাধ্যম।

এই পরিস্থিতিতে সর্বত্র জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছিল। কাদা এবং মাটির স্তূপ সরিয়ে শ্রমিকদের খোঁজ করছেন নেপালি সেনা ও পুলিশের আধিকারিকেরা। ন’দিন পর ত্রিশূলীর সুড়ঙ্গ থেকে দু’জন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা গিয়েছে। একই সুড়ঙ্গ থেকে পাওয়া গিয়েছে এক শ্রমিকের দেহও।

উদ্ধার দুই শ্রমিকদের নাম সঞ্জয় শাহ এবং কবীর মহারাজন। তাদের যখন উদ্ধার করা হচ্ছিল, সুড়ঙ্গের ভিতর থেকে আরও কণ্ঠস্বর ভেসে আসছে বলে দাবি করা হয়েছিল।

কিন্তু উদ্ধারকারী দলের সদস্যেরা সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত গিয়ে খুঁজে দেখে এসেছেন, আর কেউ সেখানে নেই। সঞ্জয় এবং কবীরকে চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুতে পাঠানো হয়েছে। সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে সঞ্জয় জানিয়েছেন, বান আসছে শুনে সুড়ঙ্গ থেকে অন্যদের বার করার চেষ্টা করছিলেন তিনি। তাতেই দেরি হয়ে যায় এবং তিনি নিজে আর বেরোতে পারেননি। ন’দিন টানা সুড়ঙ্গের ভিতরে মন্ত্র জপ করেছেন, ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছেন। বেঁচে যে বেরোতে পারবেন, ভাবেননি।

শুক্রবার পর্যন্ত হড়পা বানে নেপালে ১২৮৭টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও ৫৩০০-র বেশি মানুষ নিখোঁজ।

এসএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement