বিশ্বকাপ ফাইনাল হারের ১৩ দিন পর আবার বল পায়ে মাঠে দেখা গেল মেসিকে।ইন্টার মায়ামির হয়ে ৫৩তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড়ার হিসেবে মাঠে নেমে দারুণ সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি ৩৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। কলাম্বাস ক্রুর বিপক্ষে ঘরের মাঠ নু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করেছে মায়ামি।
ড্যানিয়েল পিন্টারের বদলে মাঠে নামেন মেসি। মাঠে নামার তিন মিনিট পর পেনাল্টি বক্সের ডানপাশে লুইস সুয়ারেজের একটি পাস পান তিনি। বাঁ পায়ের জোরালো শট নেন। সাউথ ফ্লোরিডার দর্শকরা জালে বল জড়ানোর অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু না, কাছের পোস্ট ঘেষে বল মাঠের বাইরে যায়। হতবাক হয়ে যান দর্শকরা।
ওই গোলে মায়ামি ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারতো। প্রথমার্ধে উরুগুয়ান তারকা সুয়ারেজের ঝলকে দুই গোলের লিড পায় স্বাগতিকরা। তার প্রথম শট কলাম্বাস গোলকিপার প্যাট্রিক শুলটের মাথার ওপর দিয়ে জালে জড়ায়। তারপর নোয়াহ অ্যালেনকে দিয়ে দ্বিতীয় গোল করান তিনি।
মায়ামি দুই গোলের লিড নিয়ে হাফটাইমে যেতে পারেনি। ব্রাজিল মিডফিল্ডার কাসেমিরো ঘরের মাঠে অভিষেকের দিনে আত্মঘাতী গোল করেন। তারপর ব্রাইস মেন্দেজের ফ্রি কিক থেকে ৮৪তম মিনিটে জাল খুঁজে পায় কলাম্বাস এবং মায়ামিকে পুরো তিন পয়েন্ট নিতে দেয়নি।
মেসির ক্লাব ও আন্তর্জাতিক সতীর্থ রদ্রিগো দে পল এদিন মায়ামির শুরুর একাদশে ছিলেন। মেসির সঙ্গে তিনিও বিশ্বকাপের পর বিশ্রামে ছিলেন। শিকাগো ফায়ার ও সিএফ মন্ট্রিয়েলের বিপক্ষে দুজনের কেউ খেলেননি। নিয়ম অনুযায়ী এমএলএস অলস্টারের হয়ে না খেলায় নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই পান তারা।
ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষে থাকা নাশভিলে এসসির চেয়ে দুই পয়েন্ট পেছনে মায়ামি। এখন তাদের মনোযোগ লিগস কাপের দিকে। বুধবার নু স্টেডিয়ামে তারা স্বাগত জানাবে অ্যাতলেটিকো দে সান লুইসকে। তারপর প্রতিযোগিতার নকআউটে ওঠার সুযোগ পেতে মন্টেরে ও লিওঁনের মুখোমুখি হবে মেসির দল।
এসএফ/এসএ