ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৮:০০ এএম
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি ও গ্রিসে প্রবেশকারী দেশগুলোর তালিকায় এবারও শীর্ষস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। গত কয়েক বছর ধরে ইতালিমুখী অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশিরা প্রথম স্থানে থাকলেও ২০২৬ সালে নতুন রেকর্ড তৈরি করে সাগরপথে গ্রিসে প্রবেশের তালিকাতেও শীর্ষে উঠে এসেছে দেশটি। একইসঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সাইবার স্ক্যামের শিকার হওয়া, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া এবং নারী পাচারের ঘটনা মিলিয়ে মানবপাচারের সংকট ভয়াবহ আকার নিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আন্তর্জাতিক মানব পাচারবিরোধী দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘প্রতারণার ফাঁদে বন্দি’।

ইউরোপের সীমান্তরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের তথ্যের বরাতে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক জানিয়েছে, ২০২৫ সালে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে মোট ২০ হাজার ২৫৯ জন বাংলাদেশি ইউরোপে প্রবেশ করেছেন। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ৪ হাজার ২৪৯ জন সাগরপথে ইতালিতে এবং ৩ হাজার ৬০৮ জন লিবিয়া থেকে গ্রিসে পৌঁছেছেন। ২০০৯ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সেন্ট্রাল মেডিটেরেনিয়ান রুটে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার বাংলাদেশি ইউরোপে প্রবেশ করেছেন।

এ বছরের মার্চে লিবিয়ার তোবরুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশে রওনা হওয়া একটি নৌকা দিক হারিয়ে ছয় দিন খাদ্য ও পানীয় ছাড়াই ভেসে থাকে। সেই যাত্রায় অন্তত ১৮ জন বাংলাদেশি মারা যান, যাদের ১২ জনই সুনামগঞ্জের বাসিন্দা। পাচারকারীদের নির্দেশে মরদেহগুলো সাগরে ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পরও মৃত্যুযাত্রা থামেনি।

ব্র্যাকের গবেষণা বলছে, ইউরোপমুখী এই অভিবাসীদের বেশিরভাগের বয়স ২৫ থেকে ৪০ বছর। তারা মূলত মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ ও কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা। ঢাকা থেকে মিসর, দুবাই বা তুরস্ক হয়ে তারা লিবিয়া পৌঁছান। ভালো কাজের প্রলোভন দেওয়া হলেও ৭৫ শতাংশ কোনো কাজ পাননি। ৯৩ শতাংশ লিবিয়ায় ক্যাম্পে বন্দি ছিলেন, ৭৯ শতাংশ শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং ৬৯ শতাংশ স্বাধীনভাবে চলাফেরার অধিকার হারিয়েছেন। জিম্মি করে পরিবারের কাছ থেকে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায়ের ঘটনাও রয়েছে। গত ছয় বছরে প্রায় ১৫ হাজার বাংলাদেশিকে লিবিয়া থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

পাচারকারীরা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করছে। ফেসবুকের শতাধিক গ্রুপে সাগরপথে ইতালিতে পৌঁছানো নৌকার ছবি ও যোগাযোগের তথ্য দিয়ে অন্যদের প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামেও এমন গ্রুপ চালু রয়েছে।

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার ছবির পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সাইবার স্ক্যামও মানবপাচারের এক নতুন রূপ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। কম্পিউটার অপারেটর, কল সেন্টারসহ বিভিন্ন পদে চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে ভুয়া ওয়েবসাইট, ফেসবুক ও টেলিগ্রামে নিয়োগের প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। পরে চাকরিপ্রার্থীদের কম্বোডিয়া বা মিয়ানমারের স্ক্যাম কম্পাউন্ডে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হচ্ছে।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে ১৫ হাজার ৯২১ জন বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে কম্বোডিয়ায় গেছেন, যাদের অধিকাংশই কোনো চাকরি পাননি। কম্বোডিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে চলতি বছরের জুনেই ৫৮৩ জন বাংলাদেশি ভুক্তভোগী উদ্ধার হয়ে দেশে ফিরেছেন।

ব্র্যাকের গবেষণায় ফিরে আসা ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতার এক ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, ফিরে আসা ৯৮ শতাংশ মানুষ চাকরির প্রতিশ্রুতি পেলেও কিছুই পাননি। ৯০ শতাংশকে জোর করে জালিয়াতিমূলক কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। ৮৮ শতাংশের চলাফেরার স্বাধীনতা ছিল না। ৮৬ শতাংশের পাসপোর্ট ও কাগজপত্র কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ২৭ শতাংশ ভয়াবহ শারীরিক এবং ৩৮ শতাংশ মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। একজন ভুক্তভোগী জানান, তাদের দিয়ে বিদেশি নাগরিকদের অনলাইনে প্রতারণা করতে বাধ্য করা হতো। নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণ করতে না পারলে মারধর ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হতো। স্ক্যাম কম্পাউন্ডের ভেতরে আলাদা নির্যাতন কক্ষ ছিল।

এক ভুক্তভোগী বলেন, ‘আমার পরিচয় ছিল না আমার নাম; আমার পরিচয় ছিল একটি কোড।’ তিনি জানান, রওনা হওয়ার আগেই তাকে একটি গোপন কোড মুখস্থ করিয়ে দেওয়া হয়, যা সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্রের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

এর আগে, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি মিয়ানমারের একটি সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে আটজন এবং ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আরও ১৮ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছিলেন। তাদেরও থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী মায়াওয়াডি হয়ে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পাসপোর্ট ও মোবাইল কেড়ে নিয়ে জোর করে সাইবার প্রতারণায় নিয়োজিত করা হয়।

শুধু সাগরপথে ইউরোপ বা সাইবার স্ক্যাম নয়—কাজের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশিদের রাশিয়ায় নিয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। ব্র্যাকের সঙ্গে রাশিয়ায় আহত কয়েকজন বাংলাদেশি উদ্ধারের জন্য যোগাযোগ করেছেন। স্বজনদের মরদেহ ফেরত আনার আবেদনও এসেছে।

পরিবারদের ভাষ্যমতে, দেশে থাকা দালাল চক্র নিরাপত্তারক্ষী, নির্মাণশ্রমিক, ওয়েল্ডার বা কারখানায় চাকরির কথা বলে ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা আদায় করে বৈধ ভিসায় রাশিয়ায় নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছে রুশ ভাষায় লেখা অবোধ্য নথিতে সই করিয়ে কয়েক সপ্তাহের সামরিক প্রশিক্ষণের পর সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক পরিবার জানিয়েছে, ওয়েল্ডারের কাজের কথা বলে তাদের সন্তানকে রাশিয়ায় পাঠানোর পর যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। পরে তার মৃত্যুর খবর আসে।

মানবাধিকার সংস্থা ফোর্টিফাই রাইটস ও ইউক্রেনভিত্তিক ট্রুথ হাউন্ডসের যৌথ তদন্তেও এ ধরনের অভিযোগ উঠে এসেছে। ইতিমধ্যে এই যুদ্ধে অর্ধশতাধিক বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভারত, কেনিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদেরও একই কৌশলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘের একটি বিশেষ কমিটি বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে।

বিদেশে পোশাক কারখানা, গৃহকর্মী বা বিউটি পার্লারে কাজের প্রলোভনে অনেক নারীকে জোরপূর্বক ডান্স ক্লাব ও যৌন ব্যবসায় যুক্ত করার তথ্যও পাওয়া গেছে। বিশেষ করে দুবাই ও মালয়েশিয়ায় ভ্রমণ ভিসায় নারী পাঠিয়ে এ ধরনের প্রতারণা নিয়মিত ঘটছে।

পটুয়াখালীর লিজা আক্তার ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারান, স্বামীও তাকে ছেড়ে যান। দুই সন্তানের ভবিষ্যতের আশায় প্রায় দুই বছর আগে সৌদি আরবে যান। সেখানে চারবার হাতবদল হন এবং অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন। ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় এ বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি দেশে ফেরেন। সম্প্রতি তিনি একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সন্তানের ভবিষ্যৎ ও নিজের জীবন নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে তার।

ভুক্তভোগী দিলরুবা আক্তার সংযুক্ত আরব আমিরাতে গৃহকর্মীর কাজের কথা বলে নিয়ে গিয়ে ক্লাবে আটকে রেখে জোরপূর্বক যৌনপেশায় ব্যবহৃত হন। আট মাস ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সইলেও বেতন পাননি। পরে কৌশলে বেরিয়ে এলেও মিথ্যা অভিযোগে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জের বিধবা সাহারা বেগমের ১৭ বছর বয়সী মেয়ে জান্নাতকে দুবাইয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজের প্রলোভনে পাঠানো হয়। সেখানে নির্যাতন ও জোরপূর্বক শোষণের শিকার হন জান্নাত। মায়ের অভিযোগে র‍্যাব দালালদের গ্রেপ্তার করলেও নানা চাপে মামলা জটিল হয়ে পড়ে। বর্তমানে আইনি লড়াই চলছে।

নোয়াখালীর পহেলী আক্তারকে দুবাইয়ে বিউটি পার্লারে চাকরির কথা বলে নাইটক্লাবে কাজ করতে বাধ্য করা হয়। নয় মাস বন্দিদশার পর পরিবারের উদ্যোগে ব্র্যাকের সহায়তায় দেশে ফিরে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। দুজন গ্রেপ্তার হলেও মামলা এখনও বিচারাধীন।

বাংলাদেশ থেকে সাগরপথে রোহিঙ্গা পাচারের ধারাও অব্যাহত রয়েছে। ২০১২ থেকে ২০১৫ সালে প্রায় সোয়া লাখ মানুষ পাচারের শিকার হন, যাদের বেশিরভাগই রোহিঙ্গা। সে সময় থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার জঙ্গলে একাধিক গণকবর আবিষ্কৃত হয়। ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসার পর পাচারের প্রবণতা আবার বাড়ে। গত আট বছরে কক্সবাজার উপকূল থেকে মালয়েশিয়াগামী সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষ উদ্ধার হয়েছে। শতাধিক মামলা হলেও পাচার থামেনি।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে হোয়াইক্যং, হ্নীলা, বাহারছড়া, টেকনাফ সদর ও শাহপরীর দ্বীপ। গত তিন বছরে টেকনাফে তিন শতাধিক মানুষ অপহরণের শিকার হয়েছেন। অনেকে মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেও পরে পাচারের শিকার হয়েছেন।

টেকনাফের কচুবনিয়া এলাকার জেলে মোহাম্মদ সাবের (৩২) চার বছর আগে অপহৃত হন। তিনি বলেন, 'হাত-পা বেঁধে চোখ ঢেকে পাহাড়ি আস্তানায় নিয়ে তিন দিন নির্যাতন চালানো হয়।' পরে সাগরপথে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড হয়ে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়, যেখানে ৩০০ মানুষ গাদাগাদি করে ট্রলারে ছিলেন। ২০২৪ সালে দেশে ফিরলেও নির্যাতনের প্রভাবে তার মাথা ও চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মানবপাচার আইনে ১ হাজার ১২৬টি নতুন মামলা হয়েছে। পুরোনো মামলাসহ ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ২৮৪টি মামলা ঝুলে আছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৩০৬টি বিচারাধীন এবং ১ হাজার ৯৭৮টি তদন্তাধীন। এ বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ৫০০টি নতুন মামলা দায়ের হলেও নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ১৭টি। গত দেড় বছরে দৃষ্টান্তমূলক সাজার কোনো নজির পাওয়া যায়নি; বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আসামিরা খালাস পেয়েছেন।

প্রতি বছর ৮০ থেকে ৯০ হাজার বাংলাদেশি বিভিন্ন দেশের বন্দিদশা থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে ডিপোর্টি হিসেবে ফিরছেন। ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এভাবে সাড়ে ১০ লাখের বেশি মানুষ ফিরে এসেছেন।

সরকার নতুন ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে। এতে অভিবাসী চোরাচালানকেও আইনের আওতায় এনে সংঘবদ্ধ পাচারের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এসএ


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝