ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগেও সন্তুষ্ট হয়নি ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর মন্ত্রী পদ ছাড়লেও প্রশ্নফাঁস, শিক্ষার্থী মৃত্যু ও আন্দোলন দমনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জবাবদিহির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের পর এক সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির সভাপতি অভিজিৎ দিপকে বলেন, শুধু মন্ত্রীর পদত্যাগ যথেষ্ট নয়, শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁস ও আন্দোলনের ঘটনায় যেসব শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে। আন্দোলনের সময় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানান তিনি।
এ ছাড়া ২০ জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সিজেপি।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দিল্লি পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের (আরএএফ) প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানায় সংগঠনটি।
শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন পরে প্রশ্নফাঁস, বেকারত্ব, সরকারি জবাবদিহি ও কর্মসংস্থানের মতো বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত হয়। গত ২০ জুলাই সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশি পদক্ষেপে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন বলে অভিযোগ করে আন্দোলনকারীরা। এরপর আন্দোলন আরও জোরালো হয়।
-টিএস