ভূমি মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, চুয়েট এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যার শিক্ষার্থীরা বিশ্বব্যাপী বড় বড় প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। আমি আশা করি, শিক্ষার্থীরা চুয়েট থেকে পাস করে বাংলাদেশকে এবং বিশ্বকে আলোকিত করবে। নবীন শিক্ষার্থীরা চুয়েটের আলো হয়ে পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে পড়বে। শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। আমি মনে করি, এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জন করে পৃথিবীর মানচিত্রে নিজেদের কর্মের চিহ্ন রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজেদের সৃজনশীলতাকে বিকশিত করতে হবে। আমরা যদি নিজেদের উদ্ভুদ্ধ করতে চাই, নিজেদের জীবনকে উন্নত করতে চাই, তাহলে আমাদের অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে। প্রত্যেকটি বিষয় সঠিকভাবে অনুধাবন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার সকালে চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক কোর্সের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া।
চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেন, পৃথিবী চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে কেবল ভালো ফলাফলই যথেষ্ট হবে না। তোমাদের প্রয়োজন হবে বিশ্লেষণী চিন্তা, সৃজনশীলতা, গবেষণার মনোভাব, যোগাযোগ দক্ষতা, দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা এবং নৈতিক নেতৃত্ব। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজ তোমাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের বিশ্বমানের গবেষক, সফল উদ্যোক্তা, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, শিল্পনেতা এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার, মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান এবং রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির প্রমুখ।
এমএ/আরএন