ম্যাচটা জিততে পারলে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হবে কঙ্গোর। কিন্তু প্রথমার্ধে এক গোল হজম করে বসে দলটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ইওয়ানে উইসার জোড়া গোলে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-১ ব্যবধানের জয়ে নক আউটে জায়গা করে নেয় কঙ্গো।
আটালান্টা স্টেডিয়ামে এলদর শোমুরোদভ গোল করে এগিয়ে নেন উজবেকিস্তানকে। ওই গোলেই এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধে শেষ করে এশিয়ার দলটি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় কঙ্গো। উইসার জোড়া গোলের পাশাপাশি অন্য গোলটি করেন ফিস্টন মায়েলে।
ম্যাচের ১০ মিনিটে আকমাল মোজগোভয়ের দারুণ পাস থেকে বক্সের বাঁ দিক থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে বল জালের ওপরের ডান কোণে পাঠান এলদর শোমুরোদভ। এই গোলে প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় উজবেকিস্তান।
এরপর ১৭ মিনিটে নাথানায়েল এমবুকু বল জালে জড়িয়ে উল্লাসে মাতলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল করে দেন রেফারি। ফলে সমতায় ফেরার সুযোগ হাতছাড়া হয় কঙ্গোর।
৬৬ মিনিটে বক্সের ভেতরে ফাউল করে বসেন আবদুকোদির খুসানভ। তার ওই ফাউলের কারণে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ফলে গোলে সমতা ফেরানোর দারুণ সুযোগ পায় ডিআর কঙ্গো। পরের মিনিটে পেনাল্টি থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জালের নিচের ডান কোণে পাঠান ইওয়ানে উইসা। এই গোলে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ১-১ সমতায় ফেরে ডিআর কঙ্গো।
এরপর ৭৭ মিনিটে লিডে যায় কঙ্গো। দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাক থেকে খুব কাছ থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে বল জালের ওপরের বাঁ কোণে পাঠান ফিস্টন মায়েলে। এই গোলে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ডিআর কঙ্গো।
মেশাক এলিয়ার পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের দারুণ শটে বল জালের নিচের ডান কোণে পাঠান ইওয়ানে উইসা। এই গোলে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ডিআর কঙ্গো।
ঘুরে দাঁড়ানো জয়ে রাউন্ড অব ৩২-এ চলে গেছে কঙ্গো।
এমএ