দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য সামনে রেখে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে।
বিশাল এই বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে কর রাজস্ব থেকে আদায়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং এনবিআর-বহির্ভূত উৎস থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া করবহির্ভূত রাজস্ব থেকে আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬৬ হাজার কোটি টাকা।
আগামী অর্থবছরে ব্যয়ের সবচেয়ে বড় খাত হবে সুদ পরিশোধ। পরিচালন বাজেটের ২০ দশমিক ৫০ শতাংশ ব্যয় হবে এ খাতে। অর্থাৎ, প্রতি ১০০ টাকায় ২০ টাকা ৫০ পয়সা যাবে সুদ পরিশোধে।
এরপর ভর্তুকি ও প্রণোদনায় ব্যয় হবে ১৭ টাকা, যা পরিচালন বাজেটের ১৭ শতাংশ। সাহায্য মঞ্জুরি খাতে ব্যয় হবে ১৫ টাকা ৭০ পয়সা।
বেতন-ভাতা খাতে ব্যয় হবে ১৪ টাকা ৪০ পয়সা। অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকায় এই খাতে ব্যয় হবে এই পরিমাণ।
এছাড়া পণ্য ও সেবা খাতে ৯ টাকা, অপ্রত্যাশিত ব্যয় ও অন্যান্য খাতে ৬ টাকা ৪০ পয়সা, পেনশনে ৫ টাকা ৭০ পয়সা, শেয়ার ও ইক্যুইটিতে ৫ টাকা ৩০ পয়সা, সম্পদ সংগ্রহে ৩ টাকা ৪০ পয়সা এবং বিবিধ খাতে ২ টাকা ৬০ পয়সা ব্যয় হবে।