প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, মহিষটি নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছিল। তা ছাড়া এটি একটি অত্যন্ত বিরল জাত (রেয়ার ব্রিড) হওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে বাঁচিয়ে রাখার ও সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নাজমুল হক জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আপাতত ব্যক্তিগত উদ্যোগে পশুটি কিনে নিয়েছেন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রাণীটির যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণের জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর চিকিৎসক মো. আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, মহিষটিকে গ্রহণের জন্য চিড়িয়াখানায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
আতিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মূলত নামের কারণে আলোড়ন সৃষ্টি করা মহিষটিকে আমাদের এখানে বড় একটি শেডে রাখা হবে। তবে তার আগে জীবাণুনাশক ছিটানোসহ সুরক্ষার স্বার্থে সেটিকে দুই সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে এবং কোনো শারীরিক অসুস্থতা আছে কি না, তা পরীক্ষা করা হবে।’
মহিষটির এমন ব্যতিক্রমী রঙের বৈজ্ঞানিক কারণ ব্যাখ্যা করে আতিকুর রহমান বলেন, ‘ইন-ব্রিডিং বা একই বংশের মধ্যে প্রজনন হলে এমনটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ত্বকে রঞ্জক পদার্থ “মেলানিন” কম থাকার কারণে মহিষ কালো না হয়ে সাদা বা গোলাপি রঙের হয়েছে। প্রতি ১০ হাজার মহিষের মধ্যে মাত্র একটি এমন হতে পারে।’
কোরবানির পশুর বদলে নিজের পছন্দের মহিষটি সরকারকে দিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ক্রেতা মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সরকার বলেছে আমাদের যা দাম আছে, সেই টাকা দিয়ে দেবে অথবা কোরবানির জন্য অন্য একটি গরু দিয়ে দেবে।’
এসআর