ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
চসিকের রাজস্ব আদায়ে গতি আনতে কঠোর নির্দেশ মেয়রের
✎ অবজারভার প্রতিনিধি
⏲ প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১০:০০ পিএম
X

চট্টগ্রাম নগরীর টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে রাজস্ব আদায় কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয়, জবাবদিহিমূলক ও মাঠমুখী হওয়ার আহ্বান জানান।

বুধবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ের সভাকক্ষে রাজস্ব বিভাগের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ও বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন খাতে রাজস্ব আদায় সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে সবাইকে দায়িত্বশীলতা ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সাব্বির রহমান সানি এবং প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সভায় জানানো হয়, বিপুল পরিমাণ সম্ভাব্য রাজস্ব এখনো আদায়ের বাইরে রয়েছে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে কর সচেতনতার ঘাটতি, কর ফাঁকির প্রবণতা এবং জনবল সংকটকে এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

সভায় প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল জানান, সরকারি বিভিন্ন সংস্থার কাছেও চসিকের বকেয়া রয়েছে। বিশেষ করে রেলওয়ের কাছে প্রায় ৫৪ কোটি টাকা বকেয়া জমেছে, যা বাজেট সীমাবদ্ধতার কারণে সম্পূর্ণ আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিন বলেন, বাজেট প্রণয়নে গৃহকর বরাদ্দ সীমিত থাকায় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে পূর্ণ কর আদায়ে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। জনবল সংকটও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

সভায় মেয়র নির্দেশ দেন, সরকারি সংস্থাগুলোর বকেয়া আদায়ে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ডিও (DO) লেটার পাঠাতে হবে। পাশাপাশি বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ফাইভ স্টার হোটেল, মার্কেট, গার্মেন্টস কারখানা ও কন্টেইনার ডিপোগুলোর হোল্ডিং ট্যাক্স পুনর্মূল্যায়নের নির্দেশ দেন তিনি।

মেয়র আরও বলেন, “কর আদায়ে কোনো ধরনের শিথিলতা বরদাশত করা হবে না। যারা ইচ্ছাকৃতভাবে কর দিচ্ছে না, তাদের তালিকা করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”

তিনি প্রতি মাসের শুরুতে নিয়মিত রাজস্ব অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা করে প্রতিবেদন উপস্থাপনেরও নির্দেশ দেন।

সভায় জানানো হয়, ক্যান্টনমেন্ট ও ইপিজেড এলাকায় আইনি জটিলতা, জনবল সংকট ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণে রাজস্ব আদায়ে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ অবস্থায় সরকারি বকেয়া আদায়, বড় করখেলাপিদের তালিকা প্রণয়ন, হোল্ডিং ট্যাক্স পুনর্মূল্যায়ন, জনবল পদায়ন, প্রশিক্ষণ ও কর সচেতনতা কার্যক্রম জোরদারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মেয়র বলেন, “নগরবাসীর করের টাকাই নগর উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। স্বচ্ছ ও কার্যকর রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চট্টগ্রামকে আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করা সম্ভব।”

এমএ/ এসআর


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝