লালমনিরহাটের পাটগ্রামের আলোচিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক অধ্যক্ষ এম. ওয়াজেদ আলী হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ওরফে বাবুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে লালমনিরহাট সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হায়দার আলী এই রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বাবু পলাতক ছিলেন।
মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় নাহিদুজ্জামান বাবুকে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারায় তাকে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২০২৩ সালের ২০ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে পাটগ্রাম পৌরসভার নিউ পূর্বপাড়া এলাকায় নিজ বাসার ফটকের সামনে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. ওয়াজেদ আলীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। নিহত ওয়াজেদ আলী পাটগ্রাম মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ এবং সাবেক সংসদ সদস্য আবিদ আলীর ছোট ভাই ছিলেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পরদিন নিহতের ছেলে মো. রিফাত হাসান বাদী হয়ে পাটগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ এই রায় ঘোষণা করা হলো।
রায় ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কে. এম. হুমায়ুন রেজা স্বপন বলেন, “আসামি বর্তমানে পলাতক থাকলেও তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার করা হলে দ্রুত সাজা কার্যকর করা সম্ভব হবে।”
এমএস/আরএন