ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের চাকা মেরামতের সময় বাসের চাপায় বাবা–ছেলে নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বাবা ছিলেন হেলপার এবং ছেলে ট্রাকটির চালক।
শনিবার (১৬ মে) ভোরের দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের বগাইল টোলপ্লাজার সামনে, বগাইল ও বামনকান্দা এলাকার মাঝামাঝি স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় সড়কে বাবা–ছেলের মরদেহ ছড়িয়ে–ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
নিহতরা হলেন যশোর সদর উপজেলার রুপদিয়া এলাকার বাসিন্দা ইউসুফ আলী (৫০) ও তার ছেলে ইয়াকুব আলী (২৬)। ইয়াকুব ছিলেন মালবাহী ট্রাকটির চালক এবং তার বাবা ইউসুফ আলী হেলপার হিসেবে সঙ্গে ছিলেন।
শিবচর হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন জানান, ঢাকা থেকে ভাঙ্গাগামী একটি মালবাহী ট্রাক ভোরের দিকে বগাইল টোলপ্লাজা এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকটির পেছনের একটি চাকা বিকল হয়ে যায়। পরে ট্রাকটি সড়কের এক পাশে থামিয়ে ইয়াকুব ও তার বাবা ইউসুফ আলী চাকা মেরামতের কাজ শুরু করেন। এ সময় ভাঙ্গাগামী দ্রুতগতির একটি অজ্ঞাত বাস পেছন থেকে এসে তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাবা–ছেলে নিহত হন।
দুর্ঘটনার পর বাসটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ট্রাকটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। ঘাতক বাসটি শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, বাসচাপায় ঘটনাস্থলেই বাবা–ছেলে নিহত হন। ঘটনাটি শিবচর হাইওয়ে থানা পুলিশ তদন্ত করছে।
শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, নিহতদের মধ্যে ছেলে ট্রাকচালক এবং বাবা হেলপার ছিলেন। দুর্ঘটনায় জড়িত বাসটিকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এমআর/আরএন