নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে এক ইন্টেরিয়র ব্যবসায়ীর গোডাউনে হামলা চালিয়ে তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে। এ সময় গোডাউনে ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের কাবিলগঞ্জ ঋষিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত নাজিম উদ্দিন (৪৪) স্থানীয়ভাবে জিপসাম ও ইন্টেরিয়র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নাজিম উদ্দিন মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে মোগরাপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. মজিবুর রহমানের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মঙ্গলবার সকালে মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে জাহের, ইয়ান ও ইয়ামিনসহ ৪-৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার গোডাউনে হামলা চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় হামলাকারীরা গোডাউনে থাকা জিপসাম, ইন্টেরিয়র ডিজাইন ও ডেকোরেশনের বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে এবং নাজিম উদ্দিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। এতে প্রায় ৬০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।
আহত নাজিম উদ্দিন বলেন, “আমি এলাকায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করছি এবং সদস্য পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ কারণে মজিবুর রহমান আমার প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন। এর জের ধরেই আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মজিবুর রহমান। তিনি বলেন, “নাজিমরা আমার আত্মীয়। হামলার ঘটনায় আমি জড়িত নই। আমি অসুস্থ থাকায় ফজরের নামাজের পর ঢাকায় রক্ত পরীক্ষা করতে গিয়েছিলাম। তাদের জায়গা নিয়ে অন্যদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।”
সোনারগাঁও থানার পুলিশ পরিদর্শক গোলাম সারোয়ার বলেন, “একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এইচএমআর/এসআর