Monday | 1 June 2026 | Reg No- 06
Epaper | English
   
English | Monday | 1 June 2026 | Epaper
BREAKING: সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে মার্কেট-শপিংমল বন্ধের নির্দেশ      প্রবীণ আ.লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন      পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ      ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে গ্রাহক-পুলিশ সংঘর্ষ      ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের      মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী      বাজেটের আগে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এক ধরনের ধোঁকাবাজি: জামায়াত আমির      

কৃষকের ঘাড়ে এক মাসে লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিলের বোঝা

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪৫ পিএম   (ভিজিট : ৩৬)

খাগড়াছড়িতে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে তুঘলকি কান্ড। জেলার রামগড়ে এক কৃষক পরিবারের আবাসিক মিটার সংযোগে গেল মার্চ মাসে ব্যবহৃত ৭০ ইউনিটের বিপরীতে বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ ৭ হাজার ইউনিটের বিলের কাগজ ধরিয়ে দিয়েছেন। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেখে এ ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে সরেজমিনে রামগড়ের পাতাছড়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মাহবুব নগর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, কৃৃষক হারুনুর রশীদের টিন শেড বাড়িতে তিনটি কক্ষ। বাড়িতে সবমিলিয়ে তিনটি বাতি, দুটি ফ্যান ও একটি পানি তোলার মোটর রয়েছে। হারুন ও তার স্ত্রী বসবাস করেন বাড়িতে।

প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা বিদ্যুৎ ব্যবহারও করেন না বলে দাবি করেন হারুন। তারপরও কিভাবে এত টাকার বিল হলো তা নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

তিনি বলেন, 'বোনের নামে নামানো মিটার সংযোগ ব্যবহার করলেও নিয়মিত বিল পরিশোধ করে আসছেন তিনি। গেল জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে মিটারে বিল ছিল ৮৮ ও ৯২ টাকা। মার্চ মাসের বিল পাওয়ার পর গেল শনিবার জালিয়াপাড়া বাজারে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে যান। এ সময় মোবাইল ফাইন্যান্স সার্ভিসের দোকানদারের নজরে এ তুঘলকি কান্ড প্রথম ধরা পড়ে। বিলের কাগজে হারুন ১ লাখ ৪ হাজার ১১১ টাকা দেখে অবাক হয়ে যান। দোকানদার তখন পরের দিন রামগড় বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগের পরামর্শ দেন এবং বিলের কাগজের ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোষ্ট করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রোববার সকালে রামগড় বিদ্যুৎ অফিসের লোক হারুনের বাড়িতে এসে বিলের কাগজ নিয়ে যান এবং পরবর্তীতে সংশোধনের আশ্বাস দেন।'

রামগড় বিদ্যুৎ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী কাওসার আহমেদ প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পরবর্তীতে স্বীকার করে বলেন, 'মিটার রিডিং নোটে ৭০ ইউনিটের স্থলে ৭ হাজার লেখায় প্রিন্ট হয়ে আসা বিলের কাগজে এ ভুল হয়েছে। নতুন করে বিল সংশোধন করে কাগজ প্রদান করা হবে এবং ভবিষ্যতে এমন ভুল যেন না হয় সে ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।'

এদিকে, মিটার না দেখে রিডিং, অতিরিক্ত রিডিংয়ে বিল করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের হলেও বিদ্যুৎ বিভাগ যেন সংশোধন হওয়ার নয়। দীঘিনালা, পানছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের বিক্ষোভ হয়েছে বিগত সময়ে। 

এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে জেলা বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের কেউ মন্তব্য না করলেও এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, 'অনেকটা অফিসিয়াল মৌখিক নির্দেশে এমন ঘটনা ঘটছে। মূলত সিস্টেম লস সমন্বয় ও বিলের টার্গেট পূরণ করতে গিয়ে এমন ঘটনা ঘটে থাকে।'

এনএম/এমএ


সম্পর্কিত   বিষয়:  খাগড়াছড়ি   বিদ্যুৎ বিল   রামগড়  


LATEST NEWS
MOST READ
আরও পড়ুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; Advertisement: 41053012.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news©dailyobserverbd.com, advertisement©dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd©gmail.com
🔝
close