ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে থেমে থাকে হাসপাতালের কার্যক্রম
✎ অবজারভার প্রতিনিধি
⏲ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৯ পিএম
X Advertisement

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় লোডশেডিংয়ের ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। শুধু আবাসিক বা বাণিজ্যিক এলাকায় নয়, লোডশেডিংয়ের ভয়াল থাবায় বন্ধ থাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সব ধরনের কার্যক্রম। ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যাওয়া আসার খেলায় বিপাকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাম কখনো কখনো সিজারের রোগিদের থেমে যেতে হয় লোডশেডিং এর ভয়াল থাবায়। নারী ও শিশু ওয়ার্ড, এবং ইমারজেন্সি ওয়ার্ডেও লোডশেডিংয়ের কারণে থমকে যায় কার্যক্রম। এই গরমে ফ্যানের বাতাস যেনো স্বপ্নের মত হয়ে উঠেছে। জেনারেটর ব্যবস্থা থাকলেও সেটি সচল রাখার জন্য তেল বা টাকা বরাদ্দ না থাকায় ফ্যান বা লাইট ব্যবহার করতে পারেনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

রোগীর চিকিৎসা নিতে এসে যেন অসুস্থ হয়ে বাসায় ফিরছেন রোগীর স্বজনরাও। সেখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের ক্ষোভ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনদের সাথে কথা বলে এসব জানা যায়। তারা চাইছেন অন্তত উপজেলার এই গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে যেনো নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকে। তারা বলছেন জেনারেটর অথবা সোলারের মাধ্যমেও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখা সম্ভব অথচ সেটাও হয়ে ওঠে না কেন।

এসব বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সূচনা মনোহরা বলেন, বিদ্যুৎ গেলে আমার অফিসেও ফ্যান চলে না। গরমে অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। আমার নিজের টাকা দিয়ে তেল কিনে জেনারেটর চালু রেখে, কোনভাবে ঔষধ-বড়ি ও রোগী ভর্তি করার ব্যবস্থা করে রেখেছি। শুধু রোগী ও তার স্বজনরা নয়, এখানে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীরাও বিদ্যুৎ না থাকায় অসহ্য গরম সহ্য করে কাজ করছেন।

এ বিষয়ে পুঠিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আহসানুল করিম বলেন, আলাদাভাবে বরাদ্দ দেওয়ার মতো পরিবেশ নাই। তাই দিতে পারছি না। আলাদাভাবে লাইন করে দেওয়ার জন্য চাহিদাও পাঠিয়েছি দেখা যাক ভবিষ্যতে কি হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিয়াকত সালমান বলেন, মেডিকেলে তো রোগীরাই চিকিৎসা নিতে আসে। সেখানে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা উচিত। আমি ডিজিএম এর সাথে কথা বলে বিষয়টি দেখছি।

রাজশাহীর সিভিল সার্জন, ডা. এস.আই.এম রাজিউল করিম বলেন, ডাবল লাইনের জন্য বলা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি যেন এই স্বাস্থ্যসেবার জায়গাটিতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকে। আপনারাও চেষ্টা করেন আমরাও দেখছি।

আরএইচএফ/এসআর


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.

Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; 01550707296 Advertisement: 41053012; 01550707291, E-mail: [email protected] [email protected]
🔝