Monday | 1 June 2026 | Reg No- 06
Epaper | English
   
English | Monday | 1 June 2026 | Epaper
BREAKING: প্রবীণ আ.লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন      পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ      ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে গ্রাহক-পুলিশ সংঘর্ষ      ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের      মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী      বাজেটের আগে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এক ধরনের ধোঁকাবাজি: জামায়াত আমির      মিয়ানমারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৫৫      

জলঢাকায় চাহিদার অতিরিক্ত সরকারি পাঠ্যবই গোডাউনে নষ্ট হচ্ছে

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৬ পিএম   (ভিজিট : ৩৩)

নীলফামারীর জলঢাকায় চাহিদার অতিরিক্ত সরকারি পাঠ্যবই গোডাউনে নষ্ট হচ্ছে। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত এসব বই পৌর শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পুরাতন কক্ষে স্তূপ করে রাখা হয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, চলতি ও গত শিক্ষাবর্ষ মিলিয়ে মোট ৬১ হাজার ২৩৪ পিস বই এখনো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এর মধ্যে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ২৮ হাজার ৫৫০ পিস এবং ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ৩২ হাজার ৬৮৪ পিস বই রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে থাকায় অনেক বই ইতোমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে।

যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বইগুলো রাখা হয়েছে- আলহাজ্ব মোবারক হোসেন অণির্বাণ বিদ্যাতীর্থ উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে নবম শ্রেণীর কয়েক হাজার বই রয়েছে। জলঢাকা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ ও পুরোনো গোডাউনে মাদ্রাসা ও মাধ্যমিক শাখার বই স্তূপ করে রাখা হয়েছে। জলঢাকা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একাধিক কক্ষে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির হাজার হাজার বই এলোমেলো ভাবে পড়ে আছে। বিশেষ করে পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনের টিনের চালা নষ্ট থাকায় বৃষ্টির পানি পড়ে অনেক বই ভিজে যাওয়ায় নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে বরাদ্দকৃত মোট ৭ লাখ ৯৮ হাজার ৯৪০ পিস বই, তার মধ্যে ৭ লাখ ৭০ হাজার ৩৯০ পিস বই বিতরণ করা হয়। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে বরাদ্দকৃত ৬ লাখ ৯৮ হাজার ৬১০ পিস বই এর মধ্যে ৬ লাখ ৬৫ হাজার ৯২৬ পিস বই বিতরণ করা হয়েছে। বাকি বইগুলো উদ্বৃত্ত হিসেবে পড়ে আছে।

অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগে থেকেই শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী বইয়ের চাহিদা পাঠায়। তারপরও অতিরিক্ত বই গ্রহণ করায় রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় হচ্ছে এবং প্রতি বছর নতুন বই নষ্ট হচ্ছে। অথচ অনেক শিক্ষার্থী বই সংকটে পুরোনো বই দিয়ে পড়াশোনা করতে বাধ্য হয়। 

তারা বিষয়টি তদন্ত ও দোষীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আশরাফুজ্জামান সরকার বলেন, '২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বইয়ের চাহিদা তিনি পাঠাননি, এটি তার পূর্বসূরি পাঠিয়েছিলেন। 

ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা থাকবে না বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। উদ্বৃত্ত বইগুলো নিলামের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়ার কথাও জানান।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের বই বিতরণ নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মতিউর রহমান খান পাঠান বলেন, 'উপজেলা শিক্ষা অফিসের চাহিদার ভিত্তিতেই বই সরবরাহ করা হয়। অতিরিক্ত চাহিদা পাঠানো অপরাধ। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে বলে।'

এইচএস/এমএ


সম্পর্কিত   বিষয়:  নীলফামারী   জলঢাকা  


LATEST NEWS
MOST READ
আরও পড়ুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; Advertisement: 41053012.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news©dailyobserverbd.com, advertisement©dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd©gmail.com
🔝
close